» “১৪ আইনজীবী ও ই-জুডিসিয়ারি”

প্রকাশিত: ২৮. এপ্রিল. ২০২০ | মঙ্গলবার

 

ই জুডিসিয়ারি তামাম দুনিয়ায় অগ্রগণ্য , বিচার ব্যবস্থাকে মামলার জট কমিয়ে গতিশীল করতে অনলাইন ভিত্তিক কোর্ট চালু করার বিকল্প নাই । বিচার অঙ্গনে চলমান দুর্নীতি বা অনিয়ম দূরীকরণে বা কমিয়ে আনতে ই জুডিসিয়ারি সহায়ক হবে বলে আমি মনে করি ।

বর্তমান সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে বাংলাদেশে হাই স্পিডের ইন্টারনেটের ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আই সি টি পার্ক ও আইসিটি ফার্ম করা হচ্ছে যার ফলশ্রুতিতে বড় বড় কোম্পানি,ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুল ডিজিটালাইজ করা হয়েছে ।

বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাতে ডাক্তারগন চিকিত্সা সেবাও অনলাইনে দিয়ে আসছেন। তাই আদালতে যেহেতু অনেক লোকের সমাগম হয় যা এই মরনঘ্যাতি করোনাভাইরাস এর জন্য সম্ভব নয়, সেহেতু ই জুডিসিয়ারি বা অনলাইন ভিত্তিক কোর্ট চালু করার জন্য এখনই উত্তম সময়, যেখানে বাসায় থেকে কাজ করার সুযোগ থাকছে । এবং অই অনলাইন ভিত্তিক ই-কোর্ট চালু করার বিষয়ে ১৪ জন তরুন মেধাবী আইনজীবী সোচ্চার রয়েছেন যা অত্যন্ত ইতিবাচক ।

১৪ আইনজীবিকে সাধুবাদ! আমি আনন্দিত এবং একইসাথে অভিভুত! আপনাদের সাথে থাকতে পেরে সুখবোধ করছি! বাংলাদেশে ই-জুডিশিয়ারির ইতিহাস লিখতে গেলে আপনাদের নাম আসবে বলেই আমি বিশ্বাস করি! সুপ্রীমকোর্টের সকল বিচারপতিগনের সম্মতির সিদ্ধান্ত অন্তত তারই প্রমান!

অনেকেই না বুঝে, ভুল বুঝে অথবা বুঝতে চেষ্টা না করে মতামত দেয়ায় আমাদের চলার পথ আরো শক্ত হয়েছে! সাহসী হয়েছে!

শুরুটা এমনই হয়! আপনাদের একাগ্রতা দেখে আশাবাদী না হওয়ার কোন কারন ছিল না! ভাল দিন এমন করেই আসে! আসবে!

অনলাইন ভিত্তিক কোর্ট চালু করা এখন সময়োপযোগী দাবী, আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় আদালত অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে , তাই দীর্ঘ দিন কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ থাকলে মামলার জট যেমন বেড়ে যাবে তেমনি অপরাধও বেড়ে যেতে পারে এবং বেড়ে যাবে মানবাধিকার লংগন ।

আমি আশাবাদী ১৪ আইনজীবীসহ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত অন্যান্য মেধাবী আইনজীবীগনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মহোদয় সহ অন্যান্য মাননীয় বিচারপতিগনের সদয় সম্মতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দফতরের সদিচ্ছায় বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টে ই-জুডিশিয়ারির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

লেখক
মো এনামুল হক এনাম
আইনজীবী- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ।
চেয়ারম্যান- এ.এইচ.আর.আই।