» হাওরে অতিথি পাখির আগমন

প্রকাশিত: ০১. জানুয়ারি. ২০২২ | শনিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

লেখক : -মোঃ শহিদুল্লাহ মিয়া

আবহমান বাংলার জীব ও বৈচিত্র্য পাখিদের কলরব অত্যন্ত মুধুর। সকালে মানুষের ঘুম ভাঙ্গে পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনে, তেমনি হাওর অঞ্চলে হেমন্তের শেষে শীতের আগমনে বহুদেশ পারি দিয়ে খাদ্যের সন্ধানে চলে আসে বাংলাদেশের হাওরের বিল জলাশয় মাছ শিকার করে আহার যুগাইতে, এখানকার আবহাওয়া খুবই উপযোগী তাদের গা মানন শহী,এজন্য ওরা চলে আসতে বাধ্য হয় খাবার খেতে বাংলাদেশে। অতিথি পাখিরা বাংলাদেশে আসাতে তিন মাস সময় লাগে। পাখি গুলো ধোবায় ও ভারত এসে বিশ্রাম নেই, তার পর যখন শীত মৌসুমে বাংলাদেশে প্রবেশ করে, ভাটি বাংলার প্রত্যন্ত হাওর অঞ্চলে নদী – নালা – খাল -বিল ও বড় – ছোট অসংখ্য নদী বয়ে গেছে ভাটি বাংলার
হাওরে, বর্ষা ছয় মাস যখন ভাসা পানি আসে আষাঢ় মাসে তখন পানির সাথে প্রচুর মাছ জলের মাঝে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। সেই মাছ গুলো পানি যখন কার্তিক মাসে পানি ভাঁটা পড়ে তখন হাওরের সমস্ত মাছ বিলের মাঝে জমা হয়ে থাকে। ঐ মাছ ঝাঁক বেঁধে বিলের পানিতে ছুটা ছুটি করে তখন শীতের পাখি গুলো শিকার ধরতে সহজ হয়। অতিথি পাখির মধ্যে বেশি মাছ শিকার করে গাইট্রা বগ – বালি হাসঁ – পান কৌরি – লেন্জা – অডা – লাঙল অডা- গাঙচিল – ঈগল – হামুক্কা – কানি বগ – মাছরাঙা সহ অনেক পাখি। পাখিদের রাতে থাকার জন্য হাওরে কিছু পালান ছিলো সেই গাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত, কিন্ত এখন আর নেই, কালের বিপরির্তনে বিলীন হয়ে গেছে হাওরে। এখন পাখিরা গ্রামের বাড়িতে গাছের উপর রাত যাপন করে থাকে হাওরে, শীত কালে হাওরের পাখির দৃশ্য দেখতে খুবই চমৎকার। বন বিভাগের কতৃপক্ষ যদি সুদৃষ্টি না দেয় তাহলে বাংলাদেশে অতিথি পাখি শীত কালে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা।

Facebook Pagelike Widget