এই মাত্র পাওয়া:

» সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করতে হবে: পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন

প্রকাশিত: ১১. অক্টোবর. ২০২১ | সোমবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। 
অবিলম্বে গণতান্ত্রিক সড়ক পরিবহন আইন প্রনয়ণ করে পরিবহন শ্রমিকদের নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করতে হবে। এব্যাপারে কোন ধরনের কালক্ষেপণ সহ্য করা হবে না। নিয়োগপত্র না থাকার কারণে পরিবহন শ্রমিকরা সারাক্ষণ কর্মের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এতে করে শ্রমিকের মানুষিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে এবং শ্রমিকরা রাস্তায় গাড়ী চলাচলে অশান্তিতে থাকে।  চালকের মানষিক শান্তি ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে শ্রমিকের বাঁচার মত মজুরী, কর্মঘন্টা হ্রাস ও সোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে সড়ক নিরাপদ হবে না। সড়ককে নিরাপদ করতে হলে শ্রমিকের জীবন-জীবিকা নিরাপদ করতে হবে।
আজ ১১ অক্টোবর বেলা ৩টায় বাংলাদেশ অটোরিক্সা হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত পোষন করেন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সেগুনবাগিচাস্থ স্বাধীনতা হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব ওসমান আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রম অধিকার ফোরাম এর সদস্য সচিব জনাব জাকির হোসেন, ফেডারেশনের উপদেষ্টা জনাব মোস্তফা আলমগীর রতন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব সাজ্জাত আলম খান তপু, ঢাকা মহানগর অটোরিক্সা ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ টিএম নাজমুল হোসেন। আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বাণী প্রেরণ করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জনাব শামসুল হক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ট্রাক সমন্বয় পরিষদ এর যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সুচনা বক্তব্য রাখেন- ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা জনাব মোঃ গোলাম ফারুক। তিনি বলেন, সম্প্রতি করোনা মহামারীকালে পরিবহন শ্রমিকরা গাড়ী চালাতে না পেরে তাদের জীবন জীবিকায় সংকট নেমে আসে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ চালকরা সরকারি আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা পাবে। কিন্তু বাস্তবে পরিবহন শ্রমিকরা এই খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের ফলে বিআরটিএ প্রতিষ্ঠা লাভ হলেও সেই বিআরটিএ এখন শ্রমিকদের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমানে বিআরটিএ ঘুষ-দুর্নীতির আখরায় পরিনত হয়েছে। এ ব্যাপারে সম্প্রতি সড়ক ও সেতু মন্ত্রী গণমাধ্যমে খোলাসা করেই বলেছেন বিআরটিএ কে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। এই দুর্নীতি বন্ধ না হলে শ্রমিকরা বাঁচার তাগিদে বিক্ষোভে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। তিনি এব্যাপারে মাননীয় সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সভার শুরুতে করোনায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মৃতির প্রতি শোক জ্ঞাপন ও দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। সভা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
Facebook Pagelike Widget