এই মাত্র পাওয়া:

» “সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে শারীরিক নির্যাতন, হেনস্থা ও জেলে প্রেরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ”

প্রকাশিত: ২৩. মে. ২০২১ | রবিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

     

         ।।  ড.মো এনামুল হক  ।। 

আমলা আর দূর্নীতি পরস্পর সমার্থক শব্দ হউক তা আমরা কোনোদিনই চাইনা। কিন্তু বিধি বাম , আমলাদের দুর্নীতি তাদের দৌরাত্মকেও হার মানাচ্ছে দিন কি দিন। এখন তো আবার নতুন সংযোজন (করোনাভাইরাস এর মতো) বাহুবল। দুর্নীতি, দৌরাত্ম ও বাহুবল তা আবার লেডী বাহুবলী , আর এই তিনের সমাহার যদি একের ভিতর ভর করে হয় তাহলে তো রক্ষা নেই। ঠিক তাই, জনগণের তো রক্ষা নেই-ই সাংবাদিকদেরও নেই, রক্ষা পায়নি স্বনামধন্য দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম। তিনি শুধু সাংবাদিকই নন একজন নারী, একজন মানবাধিকার সচেতন ব্যাক্তিত্ব। মানবাধিকারের অন্যতম একটি উপজীব্য ও মৌলিক অধিকার হলো মানুষের স্বাস্থ্য, যা নিয়ে অনুসন্ধানমুলক কাজ তিনি। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত যা সর্বজন স্বীকৃত, আর এই দূর্নীতির চিত্র তুলে ধরতে আদর্শের কলম ধরেছেন সাংবাদিক রোজিনা আর তার আদর্শের কন্ঠ চেপে ধরেছেন লেডী আমলা জেবূন্নেসা । একজন মানবাধিকার আইনজীবী ও সংগঠক হিসেবে আমি স্তম্ভিত এ কি করে সম্ভব!!! একজন সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি চাকুরিজীবী নারীর এহেন আক্রমণাত্বক উগ্র আচরণ শুধু দৌরাত্মকেই ছাপিয়ে যায় নাই , নারীর মর্যাদা ও মানবাধিকারকে চরমভাব আঘাত করছে, সাংবিধানিক অধিকার ভুলুন্ঠিত করেছে, কথা বলা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গলা চেপে ধরে জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখানে শেষ হলে হয়তো দুর্নীতি, দৌরাত্ম সাথে শারীরিক নির্যাতনের ঘৃণ্য দৃষ্টান্তে সমাপ্তি হতো কিন্তু না ক্ষমতা ও আইনের কালোব্যবহার করে সাংবাদিক রোজিনাকে জেলে পাঠিয়ে আমলাতান্ত্রিক সার্কাসের নিউ ডাইমেনশন সংযোজনে মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার ভুলুন্ঠিত করেছে চরম নোংরাভাবে- যা কোন ভাবেই সরকারের জন্য, দেশের জন্য সর্বোপরি জনগণের জন্য কাম্য হতে পারে না। একজনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীহিসাবে, প্রোবনো আইনজীবী হিসেবে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করছি। ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

লেখক পরিচিত : ড.মো এনামুল হক
বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী।

Facebook Pagelike Widget