» সরকার সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে করোনায় প্রাণহানি কমে এসেছে। আজ মারা গেছে মাত্র ৩ জন। এই মুহূর্তে লকডাউন তুলে দেয়া যায় কি?

প্রকাশিত: ২৮. এপ্রিল. ২০২০ | মঙ্গলবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে দেশে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় ৬৪ জন,আহত হয় ১৫০ জন।
এছাড়াও বিভিন্ন রোগে দেশে ২৫৫ মানুষের মৃত্যু হয়। এই চিত্র স্বাভাবিক সময়ের। তখন দেশের হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখন দেশের একের পর এক হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাওয়া দুস্কর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিং এ দেশে এখন স্বাভাবিক রোগীর মৃত্যু কত বেড়েছে তা জাননো দরকার।

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আজ মারা গেছে ৩ জন। এপর্যন্ত মারা গেছে ১৫৫ জন।এপর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৬৪৬২ জন।যা শতাংশের হিসেবে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১ শতাংশেরও কম। প্রকৃতপক্ষে করোনার কি কোন চিকিৎসা আছে?

গত কয়েকদিন যাবত বাংলাদেশের ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল খ্যাত কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রতিবেদনে দেখলাম। আজ প্রথম আলোতে করোনা টেষ্ট করতে মানুষের ভোগান্তির চিত্র দেখলাম। ফেসবুকে ভুক্তভোগী আক্রান্তদের অভিজ্ঞতা কথা পড়ছি। ঘরে বসে বসে দেশের সার্বিক অবস্থার খোঁজ খবর নিচ্ছি। গার্মেন্টস খুলে দিয়েছেন। রেস্তোরাঁ খুলে দিয়েছেন। দোকান সারা দিন চালুর রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আজ দেশে ৪৩৩২ জনের নমুনা পরিক্ষা করে ৫৪৯ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত করা হয়। সরকারের প্রচেষ্টা থাকার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অযোগ্যতায় কারণে লক্ষ লক্ষ করোনা রোগী টেষ্ট করাতে পারছেনা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারছেনা।
অথচ করোনার ভয়ে দেশে গর্ভবতী নারী,ডায়াবেটিস, কিডনিসহ সাধারণ রোগীরাও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে। আগামীতে ক্ষুদার্ত মানুষের মৃত্যু দেখা যাবে বহু ঘরে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা করোনা থেকে বাচার উপায় টেষ্ট, টেষ্ট আর টেষ্ট। কিন্তু ১৮ কোটি মানুষের দেশে এখনো কার্যত প্রতিকী সংখ্যক টেস্ট করছি। না পারছি কাংঙ্খিত সংখ্যায় টেস্ট করাতে না পারছি আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে। তবুও কেন লকডাউনের নামে সারাদেশ বন্ধ রেখে অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র মসজিদ ছাড়া হাটবাজার, রাস্তাঘাট,গার্মেন্টস সব দেখে কোথাও লকডাউন আছে বলেতো মনে হয় না। শুধুমাত্র কাজ বন্ধ আয় বন্ধ। আমি মনে করি এখন বিকল্প ভাবা উচিত। সারা দেশে করোনা সতর্কতা পদক্ষেপ নিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে অফিস আদালত চালুর পাশাপাশি করোনা রুগী সনাক্তকরণে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহনকরা। আক্রান্ত রোগী চিকিৎসায় নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া। তাহলেও কেবল দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি থেকে দেশকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে পারবেন।