» সংলাপের নামে এই সমস্ত ঢংয়ের আলাপ তথা ঢংলাপ অবিলম্বে বন্ধ করুন

প্রকাশিত: ১০. জানুয়ারি. ২০২২ | সোমবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।
অর্থহীন ও প্রহসনমূলক সংলাপ প্রত্যাখ্যান; অন্তর্বতীকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এবি পার্টির প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালিত।

আজ সকাল ১০.৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাষ্ট্রপতির প্রহসনমূলক সংলাপ নাটকের প্রতিবাদে এবং নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এবি পার্টি ঢাকা মহানগর ও যুব পার্টির উদ্যোগে এক প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব বি.এম নাজমুল হকের সভাপতিত্বে ও যুবনেতা ইলিয়াস আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক প্রফেসর ডাঃ মেজর (অবঃ) আব্দুল ওহাব মিনার; বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, সহকারী সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, আনোয়ার সাদাত টুটুল, শাহ আব্দুর রহমান ও এম আমজাদ খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার বলেন, রাষ্ট্রপতি সংলাপের নামে প্রহসন করছেন। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পর এখনো আমাদের ভোটের দাবি নিয়ে রাজপথে নামতে হচ্ছে। মানুষ আজ সকল মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। সরকার বলছে তারা উন্নয়নের মহাসড়কে আছেন, অথচ বৃষ্টির ফোটা পড়লেই রাস্তায় নামতে নৌকা প্রস্তুত রাখতে হয়। তিনি প্রশ্ন রাখেন- এতই যদি উন্নয়ন করে থাকেন তাহলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সমস্যা কী? অধ্যাপক ডা. মিনার অবিলম্বে একদলীয় ও অনির্বাচিত সরকারকে পদত্যাগ করে গ্রহনযোগ্য অন্তর্বর্তীকালীন নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তাদের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন আমার ক্ষমতা নাই। আমরা বলি ক্ষমতাই যদি না থাকে তাহলে সংলাপ করছেন কেন? সংলাপের নামে এই সমস্ত ঢংয়ের আলাপ তথা ঢংলাপ অবিলম্বে বন্ধ করুন। যখনই জাতীয় নির্বাচনের সময় আসে তখনই এই ধরনের নতুন নতুন নাটকের আবির্ভাব ঘটে। আজ যে সমস্ত দল সংলাপে অংশ নিচ্ছেন তাদেরকে আমরা খুব ভালো চিনি। সরকারের উচ্ছিষ্ট ভোগের আশায় তারা সব সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। আমরা সরকারকে বলতে চাই, সকল নাটক বন্ধ করুন। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশন আইন প্রনয়ণ করুন। তিনি আরো বলেন, সরকার কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেয়। আমরা জানতে চাই, রাতের বেলায় ভোট কোন সংবিধানের আলোকে নিয়েছিলেন? কোন সংবিধানের নিয়ম মেনে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বেগম পাড়ায় সুরম্য বাড়ী তৈরী হয়েছে? আজ মন্ত্রীরা কোন সংবিধানের আলোকে নারীদের শ্লীলতাহানির হুমকি দিচ্ছে? কাজেই কোন অযুহাত দাঁড় করাবেন না। আগামী নির্বাচন হতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে, নাইলে এখন দেশের বাইরে জায়গা পাচ্ছেন না, কয়দিন পর দেশের মাটিতেও আর আপনাদের জায়গা হবেনা।

সভাপতির বক্তব্যে বিএম নাজমুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতি সাহেব বলে থাকেন তিনি অনেক কিছু পেয়েছেন, তার আর কোন চাওয়া-পাওয়া নাই। তাই তাঁর প্রতি সম্মান রেখে বলবো, জীবন সায়াহ্নে এসে জনগণের জন্য কিছু করুন। সংলাপে সময় অপচয় করে, মানুষকে না হাসিয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করুন।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের সমন্বয়ক আলতাফ হোসাইন, দক্ষিণের সমন্বয়ক আব্দুল হালিম খোকন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল হালিম নান্নু, জননেতা মুর্তজা খান, মহানগর দক্ষিণের নেতা আব্দুল জলিল, শফিউল বাসার, নারী নেত্রী সুলতানা রাজিয়া, যুবনেতা মাসুদ জমাদ্দার রানা সহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Facebook Pagelike Widget