» শ্রীমঙ্গল মির্জাপুর চা বাগানে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত: ০২. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | রবিবার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রেমিকের সন্দেহের বলি হলো প্রেমিকা শিপা নায়েক (১৫)–
রোববার এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান জানালেন সেই লোমহর্ষক ঘটনা।ঘটনার বিবরণ দিয়ে কোর্ট জবানবন্দি দিয়েছে মির্জাপুর চা বাগানের উত্তর টিলার ঘাতক লিটন সাঁওতাল (১৯) পিতা মৃত অভিনাশ সাঁওতাল।গত ১ ফেব্রোয়ারী সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর চাবাগের উত্তর লাইন মাঝির পাড়া চা শ্রমিক নমিতা নায়েকের মেয়ে শিপা নায়েক ১৫ এর অর্ধগলিত লাশ তাঁদের বসতঘরের পশ্চিম পার্শ্বের গর্তে পাওয়া যায়।তাৎক্ষণিকভাবে সিনিয়র পুলিশ সুপার শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ সার্কেল আশরাফুজ্জামান ও অফিসার ইনচার্জ শ্রীমঙ্গল থানা আব্দুস ছালেক সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।ভিকটিমের মা নমিতা নায়েক এবং প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলার পর একটি টিম গোপনীয়ভাবে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করতে থাকেন।দুজন দুজকে বিগত চার বছর যাবৎ ভালোবাসত,বিগত কিছুদিন তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে লিটন সাঁওতাল মনে সন্দেহের দানা বাধে।তাঁহার ধারণা ছিল শিপা নায়েক অন্য কাহার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে।বিগত ২৩ জানুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার লিটন শিপার সাথে দেখা করতে তাদের বাড়িতে যায়।এসময় বাড়িতে কেহ ছিলনা,তাহাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে লিটন সাঁওতাল শিপা নায়েক কে আঘাত করলে সে খাটের নিচে পড়ে যায় এবং তাঁহার নাখ মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে শরির নিস্তেজ হয়ে যায়।লিটন সাঁওতাল নিহত শিপা নায়েক এর মরদেহটি ঘরের পিছনে মাটির গর্তে পুতে রেখে খড়কুটোর দিয়ে ঢেকে রাখে বলে আদালতে সে জানায়।উক্ত বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। লিটন সাঁওতাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।প্রেস ব্রিফিং এর সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার তদন্ত সোহেল রানা সহ অন্যন্য অফিসারবৃন্দ।