» রেকর্ড গড়লেন প্লাবন কোরেশী

প্রকাশিত: ১৫. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | শনিবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। 

ইউটিউবে রেকর্ড গড়লেন গীতিকার ও সুরকার প্লাবন কোরেশী। জনপ্রিয় গায়ক ইমন খানের গাওয়া “রূপা আমি ভালো নেই” গানটি ইতোমধ্যেই কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে। আর এই গানটির মাধ্যমেই প্লাবন কোরেশী একটি মাইলফলক ছুঁয়ে দিলেন। অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে গানচাষিখ্যাত প্লাবন কোরেশী বাংলাদেশের প্রথম গীতিকার ও সুরকার, ইউটিউবে পাঁচজন শিল্পীর কণ্ঠে যার গান কোটির সীমা অতিক্রম করেছে। গানগুলো হলোঃ

যে পাখি ঘর বোঝে না- ধ্রুব গুহ
ইন্দুবালা- ফজলুর রহমান বাবু
ইন্দুবালা- শফিকুল ও ঝুমা
রূপা আমি ভালো নেই- ইমন খান

এ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে প্লাবন কোরেশী বলেন-

– পাঁচজন শিল্পীর কণ্ঠে আপনার গান কোটি ছাড়িয়েছে। আপনার অনুভূতি জানতে চাই
– গান আমার ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আমার প্রাণপ্রিয় শ্রোতা-দর্শক। তাদের এই ভালোবাসা আমার প্রতিক্ষণের প্রেরণা।
– শূণ্য সাবস্ক্রাইব চ্যানেল “মিউজিক হাট” থেকে খুব অল্প সময়ে আপনার “রূপা আমি ভালো নেই” গানটি কোটি শ্রোতার মন ছুঁয়ে গেলো। গানটির এই সফলতার পেছনে কী কারণ আছে বলে আপনি মনে করেন?
– এটা খুব জটিল প্রশ্ন। আমি চাইলেই এই সফলতার নানারকম ব্যাখ্যা বা যুক্তি দাঁড় করাতে পারি। কিন্তু এইসকল যুক্তি থাকার পরও আমার অন্য আরেকটা গান হয়তো ১০ হাজার লোকও শুনছেন না। ওটা না শোনার কারণ কী, তা বলা মুশকিল। গান কেনো হিট হয় অথবা ফ্লপ হয়, সারাজীবন গান করেও আমি তা বুঝতে পারিনি।
– “রূপা আমি ভালো নেই” গানটিতে আপনি তো অভিনয়ও করেছেন। দর্শক তা লুফেও নিয়েছেন। অভিনয়ে কি আপনাকে নিয়মিত পাওয়া যাবে?
– না না, আমি গানের মানুষ। অভিনয় আমার কাজ নয়। বলতে পারেন, নিজের গাওয়া গানের বাইরে এটাই হয়তো আমার প্রথম এবং শেষ অভিনয়।
– “ইন্দুবালা” গানটি আপনার অমর সৃষ্টি, যা গোটা উপমহাদেশে আপনাকে জনপ্রিয় ক’রে তুলেছে। ওটা করতে গিয়ে আপনি কী আলাদা কোনো যত্ন নিয়েছিলেন?
– একদম না। আমার সব গানকেই আমি সমান ভালোবাসি। “ইন্দুবালা” এক টুকরো ছেঁড়া কাগজে লিখে আনা, আর ভাঙা হারমোনিয়মে সুর করা একটা গান। স্টুডিওর ছোট্ট বসার রুমে গীতিকার দেলোয়ার আরজুদা শরফ গানটি আমার হাতে তুলে দিয়ে সুর করতে বললেন, আর আমি তার সামনেই সুর করলাম। ওটা আমার কাছে আর দশটা গানের মতোই ছিলো। এই গান এতোটা বিস্তৃতি লাভ করবে, ভাবিনি।
– কীসে আপনার কষ্ট? আনন্দটাই বা কোথায়?
– আমি মনে করি কবিরা কষ্টের সমকক্ষ। হাজারো কষ্ট লালন করেই তো মানুষকে কবি হ’তে হয়। এ কারনেই বলবো, কীসে আমার কষ্ট, এই প্রশ্ন না ক’রে বরং এটা জেনে নিন, আমি আর কষ্ট এক বিছানায় থাকি। আপনি জানতে চেয়েছেন আমার আনন্দ কোথায়। যখন ভাবি, প্রতিদিন লাখো মানুষ আমার গান শুনে ঘুমোতে যায়, তখন আনন্দে বুকটা ভরে ওঠে। তখন মনে হয়, আমি ব্যর্থ মানুষ নই।