এই মাত্র পাওয়া:

» রাসূলে কারীম সাঃ এর মাধ্যমেই আল্লাহ তা’য়ালা ইসলামকে করেছেন পরিপূর্ণ : মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী

প্রকাশিত: ৩১. অক্টোবর. ২০২০ | শনিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। 

রাসূলে কারীম সাঃ এর মাধ্যমেই আল্লাহ তা’য়ালা ইসলামকে করেছে পরিপূর্ণ। বর্ণবাদ, বৈষম্য, শোষণ ও দাসত্ববাদের করেছেন কবর রচনা। মহানবী সাঃ আরবে বর্বরতার জাহিলিয়্যাতের মধ্যে সাম্য এবং সম্প্রীতি দিয়েই প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইসলামের শান্তিময় শ্বাশত বিধান।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আশেক্কীনে আউলিয়া পরিষদের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে মানববন্ধন ও র‌্যালী অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সহ সভাপতি শাহ্ সুফী সাইয়্যেদ মুক্ততাদির নূরী আল সুরেশ^রী’র সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, কৃষক লীগ নেতা খন্দকার ফরিদ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল হক নূরে আল সুরেশ^রী, শাহ্ সুফী সৈয়দ আলম, মো. আমিনুল হক চৌধুরী স্বপন, মো. আশরাফ আলী, মো. আজাদ, মো. বাচ্চু মীর, মো. মফিজ উদ্দিন, মো. আলমগীর হোসেন, মো. আব্দুল কাদেরসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, ঈদে-ই-মিলাদুন্নবী হচ্ছে সকল ঈদের শ্রেষ্ঠ ঈদ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। কেননা পাপ সিন্ধুতে নিমজ্জিত মানবকুলকে উদ্ধার এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন জগতকে আলোকিত করার লক্ষ্যে সৃষ্টিকুলের জন্য নেয়ামত ও রহমত স্বরূপ নূরনবী হযরত মুহম্মদ সা. ৫৭০ খ্রি. ১২ রবিউল আউয়াল এই ধরাধামে শুভাগমন করেন। বাংলাদেশ আশেকীনে রাসুল ও অলিÑআউলিয়াগণের দেশ। শাহজালাল মোজাররাদে ইয়ামেনী থেকে শুরু করে অগণিত আউলিয়া- ক্বেরাম প্রেমের মাধ্যমে বঙ্গপ্রদেশে তথা বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেছেন। শ^াশ^ত ইসলাম উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদকে সমর্থন করে না। ফ্রান্স সরকার রাসুল সা. এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে বিশ^ মুসলিমের কলিজায় যে আঘাত দিয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা অহিংস মানবতাতে বিশ^াস করি। সাম্য ও সম্প্রীতি হচ্ছে আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই ফ্রান্স সরকার যদি বিশ^ মুসলিমদের কাছে ক্ষমা না চায় আমরা এর প্রতিরোধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো। ঈদে মিলাদুন্নবীর এই দিনে সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা রয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সুন্দরভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতে পারায়। আশা করি সরকার বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নবী প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আগামী বছর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরো জাকজমকপূর্ণভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করবেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী তার বক্তব্যে বলেন, রাসূলে কারীম সাঃ এর মাধ্যমেই আল্লাহ তা’য়ালা ইসলামকে করেছে পরিপূর্ণ। বর্ণবাদ, বৈষম্য, শোষণ ও দাসত্ববাদের করেছেন কবর রচনা। মহানবী সাঃ আরবে বর্বরতার জাহিলিয়্যাতের মধ্যে সাম্য এবং সম্প্রীতি দিয়েই প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইসলামের শান্তিময় শ্বাশত বিধান। তিনি বলেছেন স্রষ্টা এবং সৃষ্টির অধিকার ব্যক্তি পর্যায় থেকে রাষ্ট্রে পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করাই হচ্ছে ইসলামের মূল দাবী। নূর নবী সাঃ ই পৃথিবীতে সর্বপ্রথম রাষ্টের জন্য লিখিত সংবিধান প্রণোয়ন করেন। যা মদিনার সনদ বলে ইতিহাসের সোনালী বর্ণে খুদিত। এসবকিছু হয়েছে একমাত্র তিনি ধরাধামে মানুষরূপে শুভগামনের ফলে। আর এ আগমনের শুভ ক্ষণ ও দিন ঈমানদার মু’মিন মুসলিমের কাছে ঈদ-এ-মীলাদুন্নবী সাঃ হিসেবে অনুকূলনীয়। তাই আমর ঈমানের তাগিদে ১২ রবিউল আউয়াল ঈদ-এ -মীলাদুন্নবী পালন করে থাকি।

তিনি আরো বলেন,আজকের এই শুভ দিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান কে,যিনি ধর্মীয় প্রেরণায় রাসূল প্রেমে উজ্জীবীত হয়ে একজন আলির বংশের প্রদীপ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদ-এ-মীলাদুন্নবী সাঃ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মদিনার সনদের আদলে গড়তে চেয়েছিলেন প্রিয় বাংলাদেশকে। তিনি বেঁচে থাকলে নিশ্চিত বাংলাদেশে মীলাদুন্নবী সাঃ আরো অনেকবেশী জাঁকজমকভাবে উদযাপিত হতো। দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পিতার উত্তরসূরী হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে আগামী বছর থেকে আরো ব্যাপক আকারে ঈদ-এ-মীলাদুন্নবী উদযাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ইনশাআল্লাহ। আর একটি কথা না বললেই নয়, মীলাদুন্নবী সাঃ কে অস্বীকার করার মানেই হচ্ছে ইসলাম কে অস্বীকার করা। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে আগামীতে আমাদের পথ চলতে হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৬২ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget