এই মাত্র পাওয়া:

» রামপুরায় আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে মনিরা চৌধুরী একজন সৎ ত্যাগী এবং পরিশ্রমী নেত্রী

প্রকাশিত: ২৬. সেপ্টেম্বর. ২০২২ | সোমবার

 

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।

রামপুরা এলাকার আওয়ামীলীগের আস্থা ও নির্ভরতার নেত্রী হিসেব ইতোমধ্যে সবার দৃষ্টি কেড়েঁছেন মনিরা চৌধুরী। মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে বাল্যকাল থেকেই মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। রাজনীতিতে সকলের আস্থা ও নির্ভরতার মানুষ হিসেবে প্রিয় নারী নেত্রী হিসেবে সমাদৃত হয়েছে তিনি।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানা এলাকায় তাদের পৈত্রিক নিবাস । মায়ের দিক থেকে রামপুরার স্থায়ী বাসিন্দা তাদের পরিবার।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত আদর্শিক কর্মি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন সব সময়। তিনি আওয়ামী লীগের সংগ্রামী নেত্রী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক, উত্তর যুব মহিলা লীগের সদস্য। তবে তাকে নেতা-কর্মীরা সকলে দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ তরুণ নেত্রী হিসেবেই চেনেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সফলতার সঙ্গে রাজনীতি করে আসছেন। দলীয় সভা-সমাবেশসহ সংগঠনের সকল কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে আসছেন। বিশেষ করে তার নিজ নামে পরিচালিত দুটি ফেসবুক পেজে থেকে দলের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ব্যাপক প্রচার করে আসছেন তিনি । বাস্তবের পাশাপাশি ভার্চুয়ালি আওয়ামী লীগের সকল ধরনের প্রচার-প্রচারণা নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন তরুণ এই নেত্রী। শুধু তাই নয় করোনা মহামারির সময়ে গরিব-দুঃখী, দিনমজুর, অসহায় নিম্ মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন খাদ্য সামগ্রী, মাক্স এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে । সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মানুষের পাশে। তার ভাষায়, দলের জন্য যে কোন সময় যে কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবেন না তিনি।

২০২০ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনিরা চৌধুরী রামপুরা থানা আওতাধীন ২২, ২৩ ও ৩৬ নং ওয়ার্ডে (সংরক্ষিত-৮) মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেছিলেন। এ বিষয়ে মনিরা চৌধুরী বলেন, আগামীতেও নির্বাচন করবেন এবং দল থেকে সমর্থন চাইবেন। কাউন্সিলর না হলেও ওই তিন ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন । তাই সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন। এলাকাবাসী জানায়, মনিরা চৌধুরী একজন সৎ ত্যাগী এবং পরিশ্রমী নেত্রী এবং দলের নিবেদিত প্রাণ ও জনবান্ধব । তিনি তরুণ সমাজকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন সব সময়। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে জন্য যে উন্নয়ন করেছে বিগত কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি। এই সরকার যতদিন থাকবে দেশের উন্নয়ন তত বাড়বে এবং বিশ্বের কাছে মাথা উচু করে থাকবে এই দেশ।

জানা গেছে, মনিরা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা পরিবারের মেয়ে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন। এরপর ২০০৪ সালে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের রাজনীতিতে যোগদান করে ২২ নং ওয়ার্ডের যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজপথে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় সকল আন্দোলন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় ওয়ান ইলেভেনের সময় রাজপথে আন্দোলনের সময় কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়ে জেল জুলুমের শিকার হয়েছিলেন। তৎকালীন বিএনপি-জামাতের চার দলীয় ঐক্য জোট সরকারের আমলে আন্দোলনের সময় বহুবার পুলিশেী নির্যাতন, মারধর, মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন। ২০১৭ সালের সম্মেলনে ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ সভাপতি নির্বাচিত হন।

তার বাবার বাড়ী ফরিদপুর জেলা ভাঙ্গা থানা এলাকায়। আর তার মা রামপুরা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের পুরো পরিবার আওয়ামী রাজনীতিতে জড়িত। তিনি গত দুই যুগের বেশি সময় যাবৎ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন। রাজপথে আওয়ামী লীগের দলীয় সকল কর্মসূচীতে তার অবস্থান রয়েছে। যে জন্য দলীয়ভাবে সকল নেতৃবৃন্দের কাছে তার অবস্থান সব সময়ই প্রশংসনীয়। রাজপথের ত্যাগী নেত্রী হিসেবে সকলের প্রিয় ও আস্থাভাজন নারী নেত্রী হিসেবে এক নামেই পরিচিত মনিরা চৌধুরী। তিনি সামাজিক বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। স্থানীয় সকল মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয় সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত তিনি । গরীব-দুঃখী মানুষের পাশে সবসময়ই তাদের যে কোনো প্রয়োজনে পাশে থেকে সাহায্য ও সেবা প্রদান করেন তরুণ এই নেত্রী। তাদের সকলের আস্থা ও নির্ভরতার মানুষ হিসেবে প্রিয় নারী নেত্রী হিসেবে সমাদৃত হয়েছে মনিরা চৌধুরী। তার সুন্দর আচরণ ও সদা হাস্যজ্জ্বল কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের জন্য নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে অনেক জনপ্রিয় ও আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠেছেন তিনি।

তিনি ভবিষ্যতে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার জন্য সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।