এই মাত্র পাওয়া:

» রাজশাহী অভিমুখে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ

প্রকাশিত: ১৬. মে. ২০২১ | রবিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
১৯৭৬ সালে ১৬ই মে, মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কার লং মার্চ এই স্মৃতিচারণ, মওলানা ভাসানী সকল সময়ে আধিপত্য বাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চকে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক সহ সকলেরই সমর্থন ছিল। তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের শতাব্দীর মহানায়ক। তিনি কৃষক আন্দোলনের তার রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু। এদেশের গণমানুষের পক্ষে মেহনতী মানুষের পক্ষে আজীবন শাসকের সঙ্গে লড়াই করেছেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে হক ভাসানী নির্বাচনী ইশতেহারে আদিপত্য বাদের বিরুদ্ধে- সিয়াটো চুক্তি বাতিল করার জন্য তৎকালীন পাকিস্তানী সরকারের কাছে দাবী ছিল। ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক কাগমারি সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তিনদিন ব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সেখানে মওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলার জনগণের আশা আখাংকার প্রতিপলন ঘটে নাই। ১৯৫৭ সালে ২৬ জুলাই তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে।
১৯৫৮ সালে আইউয়ুব সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি অসুস্থ্য অবস্থায় মির্জাপুর হসপিটালে গ্রেফতার হন। দীর্ঘ ৪ বৎসর পাকিস্তানী শাসকে তাকে কারারুদ্ধ করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি পিজি হসপিটালে অসুস্থ্য অবস্থায় ছিলেন তখনই ভারতীয় ফারাক্কা বাধের বিরুদ্ধে তিনি কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৬ সনে ১২ই মে রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে তৎকালীন ভারতে প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্ধিরা গান্ধীকে সুষ্পষ্ট বলেছেন যদি ফারাক্কা বাধের ফলে উত্তর বঙ্গের হাজার হাজার একর  জমি পতিত হয়ে যাবে। এ ফারাক্কা বাধ বন্ধ না হলে আমি জাতিসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের ন্যায্য পানি হিস্যা আন্তর্জাতিকভাবে আমাদেরকে ন্যায় বিচারের জন্য ভারতে প্রধানমন্ত্রীকে আবারো তিনি আহ্বান করেন। ১৯৭৬ সালে ১৬ই মে ফারাক্ক বাধে কানসাটে আবার জনসভায় ভাসন দেন। তিনি শ্রীমতি ইন্ধিরা গান্ধীকে ইঙ্গিত করে বলেন, সিকিম নয়, ভুটান নয়, এদেশ আমার বাংলাদেশ। সর্বশেষ মজলুম জননেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
যুগ যুগ, ঝিও তুমি,
মওলানা ভাসানী।

লেখক পরিচিত : বাবু স্বপন কুমার সাহা
ভাইস প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।
Facebook Pagelike Widget