» ‘মাস্ক’ সরবরাহের দূর্নীতিতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন : ন্যাপ

প্রকাশিত: ১৯. এপ্রিল. ২০২০ | রবিবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।   

নকল ‘মাস্ক’ সরবরাহের দূর্নীতিতে জড়িত দুনীতিবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মন্তব্য করেছে করোনার অভিশাপে বিপন্ন মানুষের মত্যু যন্ত্রনার মুখেও দূর্নীতিগ্রস্থ স্বাস্থ্য বিভাগ নকল মাস্ক সরবরাহ করে নির্লজ্জ দুর্নীতি ও জালিয়াতির সাথে যারা জড়িত তারা অমানুষ। তারা না পশুর চাইতেও ভয়াবহ।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, শুধু চিকিৎসকই নয়, করোনারোগীর সেবায় নিয়োজিত নার্সদেরও যেখানে এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নাই, সেখানে নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করে অনেককে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে ফেলতে পেরেছে যারা তারা আর যাই হোক সভ্য সমাজের বাসিন্দা হতে পারে না। কতটা বর্বর, অমানবিক ও লোভী হলে এমন এক সময় এরা এমন দূর্নীতি করতে পারে সেটা প্রধানমন্ত্রীসহ সকলকে ভাবতে হবে।

তারা অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করে দোষি ব্যাক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানিয়ে বলেন, এন-৯৫ মাস্কতো বাহির থেকে এসেছিলো। এটা আমেরিকান মানের। চীন, ভারত, দক্ষিন কোরিয়া, তাইওয়ানসহ ৩০দেশে মিলে। দূর্নীতিবাজরা মনে করেছিলো চিকিৎসকরা এই মাস্ক চিনবে না। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে যে সব হাতের মুঠোয় এটা দুর্নীতিবাজদের বোধগম্য হয় নাই। এতদিন জার্মান স্টিকারে চাইনিজ মেশিন সরবরাহ করে লুটেছে, তাই লোকাল তৈরি করে নকল মাস্কের প্যাকেটে এন-৯৫ স্টিকার লাগিয়ে মৃত্যু দুয়ারে রেখে ব্যবসা করেছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অবাধ লুটপাটেও তাদের রাক্ষুসে ক্ষিধে মিটে নাই। ভয়ংকর করোনা ভাইরাসের মুখে যখন সরকার প্রধান মানবিক শক্তিতে জাগিয়ে তোলার চেষ্টায় ব্যস্ত, গোটা বিশ্বের মানুষের সাথে বাংলাদেশের মানুষরাও যেখানে কঠিন দুঃসময়ের মুখে ঐক্যবদ্ধ, তখন এমন দানবদের এই বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারনা ক্ষমার অযোগ্য।

তারা বলেন, এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের জন্য জেএমআইকে কাজ পেতে কারা ভূমিকা রেখেছে, কারা এই কোম্পানির সাথে জড়িত, তাদের সকলকেই আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ইতিমধ্যে গণমাধ্যমের বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে ‘এন-৯৫’ নামে যেসব মাস্ক দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নকল ও নিম্নমানের এই মাস্কসহ অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেটা সরবরাহ করা হয়েছে সেটা আসল ‘এন-৯৫’ মাস্ক নয়। তাদের দুর্নীতির কারণে প্রায় দেড়শো ডাক্তার নার্স, তিনশো স্বাস্হ্য কর্মী করোনায় আক্রান্ত। চিকিৎসক ও সেবা কর্মীদের শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক অপরাধিদের কাছে চাউল চোর অপরাধিরাও ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলেই মনে হয়।