এই মাত্র পাওয়া:

» মানব শিশু পাচার দমন প্রতিরোধে প্রচার ও অগ্রগতি বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণে জাতীয় পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ১৬. সেপ্টেম্বর. ২০২০ | বুধবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম এম সেকান্দার আলী, জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।। মানবপাচারের  বিষয়টি শুধু যে দেশের বাইরে  হচ্ছে তা নয়, দেশের মধ্যেও পাচার হচ্ছে। যে শিশুটি পাচার হয় সে বেঁচে আছে কি না বা কোথায় আছে তা কেউ জানেন না।

 

গত ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে মোহাম্মদপুর ইকবাল রোডে ওয়াই ডাবলিও সি এ মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব ড. আবুল হোসেন। মানবপাচারের যে বিষয়টি শুধু যে দেশের বাইরে যে হচ্ছে তা নয়, দেশের মধ্যেও পাচার হচ্ছে। যে শিশুটি পাচার হয় সে বেঁচে আছে কি না বা কোথায় আছে তা কেউ জানেন না। মানবপাচার রোধ করতে হলে অর্থনৈতিক মুক্তি হওয়া একান্ত দরকার। পাচারকারী শুধু যে বিভিন্ন রোড পরিবর্তন করে তা কিন্তু নয়, পোষাক পরিবর্তন করে। পাচারের ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। নারী উন্নয়ন, নারী-শিশু পাচার, বাল্য বিবাহ বন্ধু, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে সাভলম্বি করা তার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। মানবপাচার আগেও ছিল, এখনও আছে। মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য যায়গায় যাবে এটাই স্বাভাবিক। পাচার জিনিসটা একেবারেই অগ্রহনযোগ্য। সরকারসহ সমাজের বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম নৈতিক দায়িত্ব সবার উপরে বর্তায়। পাচারের ঝুকিপূর্ণ দিক কি আছে সরকারের বিভিন্ন ম্যাকানিজম গ্রহণ করলে সব বন্ধ হয়ে যাবে।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সিনিয়র সহকারী জজ লিগ্যাল এইড ঢাকা জেলা আলমগীর হোসেন বলেন সরকারিভাবে যেকোন আইনগত সহযোগিতা দেওয়া হবে মানবপাচার রোধে। ২০১৯ সালে ৭৬৫টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন রবিউল ইসলাম, ডেপুটি ডায়রেক্টর হিউম্যান রাইটস কমিশন বাংলাদেশ, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বেনজির আহমেদ, মাহমুদুল কবিরসহ আরো অন্যান্য সরকারি ও সুশীল সমাজের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। মোঃ রফিকুল ইসলাম খান আলমের পরিচালনায় সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ইনসিডিন বাংলাদেশ একেএম মাসুদ আলী খান ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। কর্মপরিকল্পনা জাতীয় কর্মশালা শিশু বাচার উপাত্ত তৈরী করতে হবে। তিনি আরো বলেন, সরকারী কার্যক্রম ছাড়াও সিপিডি এই প্রকল্পে কাজ করছে। অর্থনৈতিক প্রণোদনার কার্যক্রম চলছে। দুটি সংগঠন এই কর্ম পরিচালনা করছেন। মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন ২০১২ সালে মানবপাচারে আইন পাশ করা হয়। সরকারের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মানবপাচারে জাতীয় পরিকল্পনা ২০১৮-২০২২ এর বাস্তবায়ন অগ্রগতির উপর বক্তব্য তুলে ধরেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩২ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget