» ভাত মাছ মাংস দুধ সবজি ফল ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন হবে-এম.এ জলিল

প্রকাশিত: ১৩. জানুয়ারি. ২০২২ | বৃহস্পতিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।
পলিথিন পয়ঃবর্জ্য জলোচ্ছাস বন্যা মুক্ত নদী ভাংগন রোধ শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের দাবীতে এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ১৩ জানুয়ারী সকাল ১১টায় রিপোর্টার্স ইউনিটি সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল
বক্তব্য রাখেন জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবুল আহাদ দিপু মীর, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, বাংলাদেশ কনজারগেটিভ পার্টি সভাপতি আনিছুর রহমান দেশ, বাংলাদেশ জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।
সভাপতির ভাষনে এম এ জলিল বলেন- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে এবং আধুনিক উন্নত পরিবেশের বাংলাদেশের জন্য যেসব কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুকুটমনি বঙ্গকন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে।
১। সকল প্রকার রাবার পলিথিন ব্যবহারের পর সংরক্ষণ করতে হবে এবং দেশের মাটি, পানি নদী খাল বিল ডোবা মুক্ত রাখতে হবে এবং বাংলাদেশের সকল প্রকার পয়ঃবর্জ্যরে লাইন কোন প্রকারে সাগর নদী নালা খাল বিলে স্থাপন করা যাবে না। উপরে উল্লেখিত কাজগুলো করতে পারলে বাংলাদেশ হবে মাছে সয়ংসম্পূর্ণ।
২। বন্যা নিয়ন্ত্রণ নদী ভাংগন রোধ দক্ষিণাঞ্চলের জলোচ্ছাস প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে টেকনাফ থেকে সাতক্ষিরা পর্যন্ত বেরিবাধ উত্তর প্রান্তে বেরিবাধ ও দেশের সকল নদীর দুই পার দিয়ে বেরিবাধ দক্ষিণ প্রান্তের বেরিবাধটি হতে হবে উচ্চতা ৫০ ফুট ও প্রস্থ ৩০০ ফুট। উত্তর প্রান্তের বেরিবাধটির উচ্চতা হবে ২০ ফুট ও প্রস্থ ১০০ ফুট। বাংলাদেশের সকল নদীগুলোর দুই পার দিয়ে বেরিবাধ হতে হবে বিশেষভাবে পদ্মা ও মেঘনা নদীর দুই পারের বেরিবাধের উচ্চতা ১৫ ফুট ও প্রস্থ ১০০ ফুট। ছোট ছোট নদীগুলোর দুই পারের বেরিবাধের উচ্চতা ১৫ ফুট ও প্রস্থ ৩০ ফুট আর যেসকল স্থানে নদীতে ভাংগে ঐসব এলাকায় নদীর পারে কংক্রিটের দেওয়াল করতে হবে এবং নদীর নাব্যতা বজায় রেখে পানির শাসন করতে হবে। এই কাজগুলো করতে পারলে দেশের ফসলী জমি রক্ষা পাবে দেশের যত শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হবে সেইগুলোকে মেঘনা ও পদ্মা নদীর দুই পাড়ে তৈয়ার করা যাবে এবং নতুন নতুন আবাসিক এলাকা হবে।
৩। শিক্ষিত বেকারদেরকে শিক্ষা ঋন প্রকল্প চালু করতে হবে। তবেই দেশের সকল যুবক কর্মসংস্থান পাবে দেশে কোনদিন আর মানুষ না খেয়ে থাকবে না। দেশ হবে উন্নত পরিবেশের বাংলাদেশ। যার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা শেখ হাসিনার আকাঙ্খিত বাংলাদেশ যেখানে থাকবেনা সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতি, ঘুষ, টাকা পাচার মাদক, তালেবান। দেশ হবে উন্নত পরিবেশের আধুনিক বাংলাদেশ। বাস্তবায়ন হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশ।

Facebook Pagelike Widget