» বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২দিন পর বিএসএফ এর সাময়িক প্রত্যাহারে ভারতের সাথে আমদানী-রপ্তানী স্বাভাবিক

প্রকাশিত: ২৭. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

 

খোরশেদ আলম,জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম    : বৃহস্পতিবার বার সকাল ১১ টার পর থেকে দু দেশের মধ্যে পুনরায় আমদানী-রপ্তানী আগের নিয়মে চালু হয়।

গত মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে সব ধরনের আমদানী-রপ্তানী বন্ধ হয়ে যায়।

সমস্যা সমাধান চেষ্টায় গতকাল ২৬ শে ফেব্রুয়ারী বুধবার সন্ধা ৭টা থেকে রাত ৯.২০ অবধি পূনরায় ভারতীয় বিএসএফ এর কমান্ডিং অফিসার অরুন কুমার ও ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে। বেনাপোল স্থলবন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সহ বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের যৌথ নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হয়। এসময় আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত সাময়িক সমস্যাবলি নিয়ে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে। পুনরায় ২য় বারের মত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় যৌথ মত-বিনিময়কালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আলোচনায় বলেন, বেনাপোল আমাদের অহংকার! তাই এই বেনাপোল কে যারা ধ্বংসের দিকে ধাবিত করছে। তাদের কে বলবো… বাবা আপনি কাজ করবেন করেন না। আপনার তো অনেক পার্টি, আপনি ভারত বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানি বানিজ্যের বিরাট দায়িত্বে থাকেন, ভারতের অনেক সংগঠনের নেতা, তাহলে কেন? এখন এই বন্দর টার পিছে লাগছেন? আপনি কি ভাবছেন, সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশন কর্তৃক এর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে ইনশাল্লাহ ।

এটা জাতীয় ইস্যু আমরা থেমে থাকবোনা। শার্শা উপজেলার সকল জনগন কথা বলবে, সরকারের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আমাদের পাশে আছেন, আমরা “শ্রমিক ঐক্য জিন্দাবাদ’।

উক্ত বৈঠকে ২য় বারের মত ভারতীয় বিএসএফ কমান্ডিং অফিসার এর সাথে আলোচনা শেষে। গত রাত ১১টায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আজ থেকে বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফদের ভারতে প্রবেশাধীকারে বাধা’র। সাময়িক ভাবে প্রত্যাহার ব্যক্ত করেন ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃপক্ষ।

সেই আলোচনা’র আলোকে আজ, বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানির কাজ আবারও শুরু হয়।

ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা এবং উভয় দেশের ব্যাবসায়ীরা আলোচনার মাধ্যে আগের নিয়মেই কার্যক্রম শিথিল করে। বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টের স্টাফদের ভারতে প্রবেশ করে সকাল থেকে আমদানী-রপ্তানী শুরু হয়।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারী সুমন জানান, দু-দিন পর। আজ সকালে মালামাল রপ্তানীর জন্য, কাগজপত্র নিয়ে পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। আমাদের ব্যবসায়ী কাগজপত্রের আনুষ্ঠিকতা শেষ করে বাংলাদেশে এসেছি। এখন থেকে ভারতের সাথে সব ধরনের আমদানী রপ্তানী শুরু হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের কার্গ শাখার সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা তিনি সাংবাদিকদের জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীরা ভারতে প্রবেশ করতে পারে সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছিলো।আজ থেকে আমদানী-রপ্তানী সকল কাজ শুরু হয় এবং দু দেশের পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে।