এই মাত্র পাওয়া:

» বিনা নোটিশ আরো ৪৪০০ কর্মীকে ছাঁটাই করলেন মাস্ক

প্রকাশিত: ১৪. নভেম্বর. ২০২২ | সোমবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের মালিকানা হাতে নেয়ার পরই সংস্থাটিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই করেছিলেন ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। সাম্প্রতিক ওই ছাঁটাই অভিযানে চাকরি হারিয়েছিলেন সংস্থাটির প্রায় অর্ধেক কর্মী। এবার সেই অভিযানে নতুন করে আরো প্রায় ৪ হাজার ৪০০ জন কর্মীকে বিনা নোটিশে ছাঁটাই করেছেন তিনি।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত শনিবার এই ছাঁটাই অভিযান চালানো হয় এবং ভুক্তভোগীরা সবাই চুক্তিভিত্তিক কর্মী।

জানা গেছে, ছাঁটাই হওয়া এই চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীরা তাদের অফিসিয়াল মেইল, অনলাইন পরিষেবা এবং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অ্যাক্সেস হারিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, মোট সাড়ে পাঁচ হাজার চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীর মধ্যে ছাঁটাই করা হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মীকে। কর্মচারীদের বরখাস্ত করার আগে কোনও নোটিশও দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।

সপ্তাহখানেক আগেই ইলন মাস্ক টুইটারের ৫০ শতাংশ কর্মচারীকে বরখাস্ত করেছেন। ওই ধাপে বরখাস্ত হওয়া কর্মীর সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে তিন হাজার। এই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় এবার কোনও নোটিশ ছাড়াই আবারও হাজার হাজার কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করলেন মাস্ক।

মূলত টুইটারের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের এবার বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে টুইটার বা ইলন মাস্কের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রথমে কর্মীদের সংস্থার ইমেইল ও আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধাগুলো কেড়ে নেয়া হয়। আর এরপরই তাদের বরখাস্ত করা হয়। দ্বিতীয় দফায় বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের মধ্যে মূলত কন্টেন্ট মডারেশন, রিয়েল এস্টেট, বিপণন, প্রযুক্তি বিভাগের কর্মীরা রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি সারা বিশ্বের টুইটারের কর্মীরা দ্বিতীয় দফার ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে টুইটার কিনে নেন ইলন মাস্ক। এরপর বিশ্বব্যাপী সংস্থাটির অর্ধেক কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ভারতে ৯০ শতাংশ কর্মীকে বরখাস্ত করেছে টুইটার।

আর তাই আগামী দিনগুলো সোশ্যাল মিডিয়ার এই সংস্থাটির কর্মচারীদের জন্য কঠিন হতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।