» প্রাইভেটকারের মধ্যে নারী ধর্ষণ

প্রকাশিত: ১৬. অক্টোবর. ২০২০ | শুক্রবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।। 

প্রাইভেটকারের মধ্যে এক বিউটিশিয়ানকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন জিরানী এলাকায় ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

ধর্ষক পিন্টু (৩২) স্থানীয় রেন্ট-এ কারের চালক। এ ব্যাপারে ভিকটিম বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কাশিমপুর থানার এসআই একে মানিক জানান, ভিকটিম ও ধর্ষক পূর্বপরিচিত এবং তারা উভয়ে কালিয়াকৈর এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম স্থানীয় একটি বিউটিপার্লারে এবং পিন্টু একই এলাকায় রেন্ট-এ কারে চাকরি করেন। বুধবার রাতে ভিকটিম কালিয়াকৈরে তার এক ছেলে (৮) ও বান্ধবীকে নিয়ে রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় পিন্টু কার নিয়ে যাওয়ার পথে ভিকটিমকে তার গাড়িতে তুলে নেন। পরে চটপটি খাওয়ার কথা বলে আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে চটপটি খেয়ে ফেরার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাশিমপুর থানার জিরানী এলাকায় পৌঁছলে ভিকটিমের সঙ্গে থাকা তার ছেলে ও অপর এক কিশোরী (১৮) হালিম খাওয়ার জন্য গাড়ি থেকে নামেন এবং হালিমের দোকানে যান। পরে তারা দোকানে বসে হালিম খাওয়ার একপর্যায়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিন্টু কারে বসে থাকা ভিকটিমকে পাশেই এক নির্জন স্থানে নিয়ে যান এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে কালো গ্লাসের কারের ভেতরেই জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ফাঁস করলে ভিকটিমকে হত্যার হুমকি দেয় পিন্টু। পরে সবাইকে গাড়িতে তুলে নিয়ে কালিয়াকৈর নামিয়ে পিন্টু চলে যান। ঘটনাটি কাশিমপুর থানা এলাকায় ঘটলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিকটিম ভুলে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে যান। তখন পিন্টু খবর পেয়ে আশুলিয়া থানায় ঘটনাটি মীমাংসা করতে যান। এ সময় ভিকটিম পুলিশকে জানালে তাকে আটক করে কাশিমপুর থানায় হস্তান্তর করে।

কাশিমপুর থানার ওসি মাহবুব-এ খোদা জানান, ভিকটিম বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় পিন্টুর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিষয়টি স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলার দায়েরে বিলম্ব হয়েছে বলে জানিয়েছে ভিকটিম ওই নারী। শুক্রবার তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৭ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget