» পোশাক শ্রমিকরা নিজ কর্ম এলাকায় ঈদের ছুটি কাটাবেন : বিজিএমইএ

প্রকাশিত: ০৪. মে. ২০২১ | মঙ্গলবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : পোশাক কারখানায় ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি তিন দিনের বেশি দেওয়া যাবে না বলে সরকার থেকে জানানো হয়েছে। ঈদে পোশাক শ্রমিকদের নিজ কর্ম এলাকায় ছুটি কাটানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে ঘোষণা এসেছে, তা বিজিএমইএ অনুসরণ করবে। শ্রমিকরা করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বা সংক্রমণ এড়াতে নিজ নিজ শ্রম অঞ্চলে থাকবেন। যাতে এখানকার পরিস্থিতি ভারতের মতো না হয়। শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাদারল্যান্ড গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন রাইজিংবিডিকে জানান, মালিক-শ্রমিকের প্রস্তুতি ছিল তারা বেতন-বোনাসের সঙ্গে শ্রমিকদের ছুটি দেবেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত বিধিনিষেধের ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কারণে এ বছর শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না। কারণ অনেকের বাড়িতে আসা যাওয়াতেই তিন দিন লেগে যায়। এর মধ্যে আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ থাকবে। ফলে ঈদে নিজ কর্ম এলাকায় থাকতে হবে।

ছুটির প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকশ্চারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক ফজলে শামীম এহসান রাইজিংবিডিকে জানান, ইতিমধ্যে শ্রমিকদের অতিরিক্ত কাজ করিয়ে রেখেছেন কারখানা মারিকরা। যাতে শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া যায়। আবার অনকের বাৎসরিক ছুটিও জমা আছে। সব মিলিয়ে প্রস্তুতি ছিল লকডাউন শেষে শ্রমিকরা বেতন-বোনাস নিয়ে প্রয়োজনে গাড়ি রিজার্ভ করে বাড়ি যাবে। কিন্তু এখন তিন দিনের ছুটির ঘোষণায় তা হবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে শ্রমিকদের যে অতিরিক্ত কাজ করানো হয়েছে, তা ওভার টাইম হিসেবে বেতন দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বেতন-বোনাসের বিষয়ে তিনি জানান, শ্রম আইনের ভিত্তিতে মাসের সাত কর্ম দিবসের মধ্যে বেতন দিতে হয়। এজন্য মে দিবস ও শুক্রবারের কারণে দুই দিন পিছিয়ে গেছে। যার ফলে ১০ তারিখের মধ্যে বেতন-বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ বছর শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ী নেতারা জানান, এখন পর্যন্ত শ্রমিক অসন্তোষ দেখা যায়নি। দেশে যেসব তৈরি পোশাক বা পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট কারখানা রয়েছে এর মধ্যে ১০ শতাংশ কারখানা সমস্যা হয়ে থাকে। সব মালিকের কাছে সময় সাপেক্ষে টাকা নাও থাকতে পারে। তবে সমস্যা তৈরি হলে মালিকরা শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেবেন এটাই আশা করছেন নেতারা।

Facebook Pagelike Widget