এই মাত্র পাওয়া:

» পল্লী বন্ধুর জন্মদিনে সুমনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

প্রকাশিত: ১৯. মার্চ. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তাহা উদ্দিন,জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শুভ জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন।

আগামীকাল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দক্ষ সফল রাষ্ট্রনায়ক আধুনিক বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা পল্লীবন্ধু
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯০ তম জন্মদিন।

বাংলাদেশের সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি, জাতীয়
সংসদের বিরোধী নেতা,একজন দক্ষ সেনাপ্রধান জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে – জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সংগ্রামী সভাপতি সময়ের সাহসী সন্তান, পল্লীবন্ধুর আদর্শের অকুতোভয় সৈনিক – মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন জাতীয় পার্টির অঙ্গসহযোগী সংহঠনসহ সকল নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক প্রেস বিবৃতিতে তূণমূল নেতাকর্মীর আস্থার প্রতীক তথা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর রাজনৈতিক অঙ্গণে সদা হাস্যোজ্জ্বল তরুন ও যুবকদের অহংকার – মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন – বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের এবং আপামর জনগণকে শুভেচ্ছার পাশাপাশি আগামী দিনের জনগণের সকল অধিকার মুক্তি আন্দোলনে রাজপথে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান!

বিবৃতিতে মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ২০ মার্চ কুড়িগ্রাম জেলায় মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট ভারতে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় তিনি মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পান।পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮৩ সালে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এ দেশের মানুষের কাছে সেনাপ্রধান হিসেবে পরিচিত হলেও পরে তিনি বাংলাদেশের একজন বরেণ্য রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন।যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে রাজনৈতিক ঐকতানে নিয়ে আসা ও সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর কারণে তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে আখ্যা পান।

পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দল জাতীয় পার্টি গঠনের মধ্যদিয়ে দেশে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতির সূচনা করেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নতুন দর্শন উপস্থাপন করেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশার।১৯৮৬ সালে সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন দেন। এই নির্বাচনে তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ভোটপ্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং পরে পাঁছ বছরের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েই তিনি বললেন, ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বাংলার মানুষ তাই তাকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে উপাধী দিয়েছে পল্লীবন্ধু।

১৯৯০ সালে দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে তিনি পদত্যাগ করে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সফলতা পরিচয় রাখেন সবখানে। তিনি নিজের প্রজ্ঞা, জ্ঞান ও শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে চেয়েছেন নতুন বাংলাদেশ। তাই তিনি বৃটিশ আমলের ঘুনেধরা প্রশাসন ভেঙে দিয়ে সৃষ্টি করেন উপজেলা পদ্ধতি-জনগণের নির্বাচিত প্রশাসন ব্যবস্থা।

যুগ-যুগান্তরের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা তিনি পরিবর্তন করেন। প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণ করেন। বাস্তবায়িত করেন যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, ভূমি সংস্কার, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের হাজার হাজার প্রকল্প। এর মধ্যে কৃষি ও শিল্প উন্নয়নমুলক প্রকল্পের সংখ্যাই বেশি। এছাড়া সড়ক উন্নয়নসহ যোগাযোগের আধুনিকায়ন তো আছেই।

পাশাপাশি তিনি একজন সফল সেনাপ্রধানও। পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৭৩ সালে এরশাদকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল নিয়োগ করা হয়। তিনি ১৯৭৩ সালের ১২ ডিসেম্বর কর্নেল পদে এবং ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

একই বছর তিনি ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রতিরক্ষা কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। ওই বছরই আগস্ট মাসে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান নিয়োগ করা হয়।

১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদকে সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেয়া হয় এবং ১৯৭৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

পল্লীবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাই। বাংলাদেশের উন্নয়নে তার সাহসিকতা ও অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য তিনি চিরজীবী থাকবেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১১৩৬ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget