এই মাত্র পাওয়া:

» দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগঃ ধারের পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় স্বাক্ষীকে অপহরণ-হামলা-সাদা কাগজে স্বাক্ষর

প্রকাশিত: ২২. জুলাই. ২০২০ | বুধবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
পূর্ব পরিচিতের সূত্র ধরে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে ও নগদে ১ লক্ষ টাকা চুনকুটিয়া কালীবাড়ী শেষ মাথা এলাকার বাসিন্দা মোঃ হারুন অর রশিদ (৩৬), পিতা- মোঃ দেলোয়ার হোসেন মল্লিক একই এলাকার মোঃ কামাল পারভেজ, পিতা- মৃত মনসুর আলী সিকদারকে প্রদান করেন। বিবাদী টাকা গ্রহণের সময় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকেন কালীগঞ্জ ১নং বাড়ী এলাকার মোঃ আপন (৩২), পিতা- মোশাররফ হোসেন। এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা পরিশোধের শর্ত থাকলেও মোঃ কামাল পারভেজ টাকা পরিশোধ না করে নানা রকমের তালবাহানা করতে থাকেন। ভূক্তভোগী মোঃ হারুন অর রশিদ ঢাকার পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৯ জুলাই তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বাদী ও বিবাদী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেয়া হয়। এতে মোঃ কামাল পারভেজ বাদী ও সাক্ষীর ওপর ক্ষিপ্ত হন। একই দিন (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় সাক্ষী মোঃ আপন (৩২) কে তার বাড়ী (কালীগঞ্জ ১নং বাড়ী) এলাকা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় মাছুম এর বাড়ীর সামনে। আপনকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় এবং রাত আনুমানিক ২ টা ৩০ মিনিট সময়ে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়। এ সময় অপহরণকারীরা মোঃ হারুন অর রশীদকে মোবাইল ফোন করে বিভিন্ন ধরনের হুমকিসহ আপনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আপন কৌশলে ছাড়া পেয়ে ঘটনার কথা হারুন অর রশীদকে জানান। হারুন অর রশীদ ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটির সত্যতা ও ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন এস আই আক্কাছ।

গতকাল ভিকটিম আপন এর কাছে তার অবস্থা জানতে চাইলে তিনি জানান তার মাথায় ছয়টি সিলাই হয়েছে। তিনি অসুস্থ্য অবস্থায় বাসায় আছেন।

আবার অন্য দিকে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি গতকাল তদন্তে গিয়েছিলাম আসামীরা সবাই পলাতক, তাদেরকে ধরার ব্যবস্থা চলছে।

ভোক্তভোগী হারুনুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান- তদন্তকারী কর্মকর্তা সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে তদপুরি আসামীরা আমাকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৮০ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget