এই মাত্র পাওয়া:

» চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’

প্রকাশিত: ২২. এপ্রিল. ২০২০ | বুধবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।    নড়াইলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ নামে চেম্বার স্থাপন করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার উদ্যোগে এটি স্থাপন করা হয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগীর মাধ্যমে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা যাতে ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন, সেজন্য মাশরাফির ব্যক্তিগত অর্থায়নে ও পরিকল্পনায় সদর হাসপাতালের সামনে এই ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ স্থাপন করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে ডক্টরস সেফটি চেম্বারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা। এ সময় নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, হাসপাতালের সুপার ডা. আবদুর সাকুর, সিভিল সার্জন ডা. আবদুল মোমেন, মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার বাবা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপন, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এশিউর রহমান বাবুসহ ডাক্তার ও নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ কাঁচ দিয়ে ঘেরা এই চেম্বারের মধ্যে অবস্থান করবেন চিকিৎসকরা। চেম্বারের সামনে দুটি বড় ছিদ্র আছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সামনের দুটি ছিদ্র দিয়ে গ্লাভস পরা হাত বের করে রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় এবং চেম্বারে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থার্মাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবেন।

থার্মাল ডিটেক্টর স্থাপনের যায়গাটি ছিদ্রমুক্ত, ফলে রোগীর হাঁচি বা কাশি থেকে দায়িত্বরত চিকিৎসক সুরক্ষিত থাকবেন। থার্মাল ডিটেক্টরে কোনো রোগীর শরীরের তাপমাত্রা করোনা উপসর্গের সঙ্গে মিলে গেলে তাকে করোনা ওয়ার্ডে পাঠানো হবে এবং অন্য রোগীদের সাধারণ সেবা দিতে জরুরি বিভাগসহ অন্য বিভাগে পাঠানো হবে।

তবে হাত-পা ভাঙা বা মারাত্মক জখম হয়ে আসা রোগী ব্যতীত অন্য সকল রোগী হাসপাতাল গেট দিয়ে প্রবেশ করে মূল ভবনে প্রবেশের আগেই এই সেবা নিয়ে হাসপাতালে ঢুকবেন, যার ফলে করোনা উপসর্গ নিয়ে কোনো রোগী হাসপাতালে প্রবেশ করলে সাধারণ রোগী, নার্স ও চিকিৎসকদের ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হবে না। ফলে আগে থেকেই জ্বরে আক্রান্ত রোগী বা করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের আলাদা করে করোনা ওয়ার্ডে রাখা সম্ভব হবে।

ডক্টরস সেফটি চেম্বারে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে চেম্বারের ভেতরে থাকা চিকিৎসক ও বাইরে থাকা রোগীর মধ্যে কথোপকথন হবে। নড়াইলে গঠিত ‘বঙ্গবন্ধু স্কোয়াড’-এর সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেণ। এটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করবেন সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।