এই মাত্র পাওয়া:

» চলে গেলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সাদেক বাচ্চু

প্রকাশিত: ১৪. সেপ্টেম্বর. ২০২০ | সোমবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।।
চলে গেলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সাদেক বাচ্চু। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ সোমবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. আশীষ কুমার বলেন, দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান সাদেক বাচ্চু। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় গত শনিবার রাতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে ইউনিভার্সেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তিনি হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সাদেক বাচ্চুকে ঢামেকে নেওয়া হয়। ইউনিভার্সেল হাসপাতালের আইসিইউতে ভেন্টিলেটরে থাকা অবস্থাতেই আজ তার মৃত্যু হয়।

এক নজরে সাদেক বাচ্চু
সাদেক বাচ্চুর আসল নাম মাহবুব আহমেদ সাদেক। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে হলেও জন্ম ঢাকাতে। বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি এহতেশাম তার নাম বদলে সাদেক বাচ্চু রাখেন। ‘চাঁদনী’ সিনেমার মাধ্যমে এ নামেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে পা রাখেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

টিএন্ডটি নাইট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন সাদেক বাচ্চু। এর আগে ১৯৬৩ সালে খেলাঘরের মাধ্যমে রেডিওতে অভিনয় শুরু করেন তিনি। একই সঙ্গে মঞ্চেও কাজ শুরু করেন। তার প্রথম থিয়েটার ‘গণনাট্য পরিষদ।’

১৯৭২-৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে যখন এদেশের সাংস্কৃতিক বলয় নতুনভাবে তৈরি হচ্ছিল, তখন যোগ দেন গ্রুপ থিয়েটারের সঙ্গে। ১৯৭৪ সালে প্রথম টেলিভিশন নাটকে অভিষিক্ত হন। ‘রামের সুমতি’র মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পর বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- জোর করে ভালোবাসা হয় না (২০১৩), জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার (২০১৩), জীবন নদীর তীরে (২০১৩), তোমার মাঝে আমি (২০১৩), ঢাকা টু বোম্বে (২০১৩), ভালোবাসা জিন্দাবাদ (২০১৩), এক জবান (২০১০), আমার স্বপ্ন আমার সংসার (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), বধূবরণ (২০০৮), ময়দান (২০০৭), আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), প্রিয়জন (১৯৯৬), সুজন সখি (১৯৯৪)।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৫ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget