» গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে জনগণকে অবহিতকরণ

প্রকাশিত: ১৫. মার্চ. ২০২০ | রবিবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।     গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে জনগণকে অবহিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততার লক্ষ্যে উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে, মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা তথ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ যথাঃ আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্প, আশ্রয়ন প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়নের কার্যক্রম সমূহ, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশু বিকাশ, বিনিয়োগ বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা কার্যক্রম, বিষয়ের উপর রোজ রবিবার দুপুর ১.০০ ঘটিকায় উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে মহিলা সমাবেশ আয়োজন করা হয়। জেলা তথ্য অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) দীপক চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন উপ-পরিচালক, উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,সালমা আহমেদ , তিনি বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া ও রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার অঙ্গীকার নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়। তৃতীয় মেয়াদে ২০১৪ সালে সরকার গঠনের পর দেশের সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্তি,বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়কে অগ্রধিকার প্রদান করে।একইসাথে জনগনের দোড়গোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছানো,নারীর ক্ষমতায়ন বাস্তবায়ন,ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানো,পরিবেশ সুরক্ষা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোট দশটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।তিনি আরো বলেন গণমাধ্যম,রাজনীতিবিদ,কূটনীতিবিদ,বুদ্ধিজীবী,আইনজীবী,সমাজকর্মী,সমাজবিজ্ঞানী,অর্থনীতিবিদসহ সকল শ্রেণীর মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণপূর্বক দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে তাহলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব । বিশেষ অতিথি – শরীফা খাতুন,প্রোগ্রাম অফিসার, উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর,ফাহমিদা বেগম,প্রশিক্ষক, উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং মনোয়ারা বেগম,প্রশিক্ষক, উপ-পরিচালকের র্কাযালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সহ আরো গণ্যমান ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য প্রদান করেন। সভাপতি জেলা তথ্য অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) দীপক চন্দ্র দাস বলেন-এই অঞ্চলের দেশ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশে চমৎকার বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ রয়েছে। আমরা ২০২১ সালে যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে যে উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখছি তা প্রধানমন্ত্রীর এই ১০টি বিশেষ উদ্যোগ সহায়ক ভূমিকা রাখবে এবং অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন।