এই মাত্র পাওয়া:

» গাইবান্ধার কুপতলায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে গর্ভপাত:অতপর বিয়ে করতে গড়িমসি

প্রকাশিত: ২৪. জুলাই. ২০২০ | শুক্রবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সঞ্জয় সাহা, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে মো: শাহিদ মিয়ার মেয়ে মোছা: সুরাইয়ার সাথে দক্ষিন দূর্গাপুর গ্রামের জেনাত মুন্সির ছেলে মো: আতিয়ার রহমান এর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে অন্তসন্তা করে গর্ভপাতের করার অভিযোগ উঠেছে। অতপর সুরাইয়াকে বিয়ে করতে অস্বীকার করছে আতিয়ার রহমান।
গাইবান্ধা সদর থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে মো: শাহিদ এর মেয়ে মোছা: সুরাইয়ার সাথে দক্ষিন দূর্গাপুর গ্রামের জেনাত মুন্সির ছেলে মো: আতিয়ার রহমান এর বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় শাহিদ মিয়ার মেয়ে সুরাইয়াকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে শারিরীক সম্পর্ক ঘটায়। একাধিকবার ওই মেয়ের সাথে শারিরীক সম্পর্ক করার কারনে প্রায় ৬মাস আগে ৪মাসের অন্তসন্তা হয়ে পড়ে মেয়েটি। এতে করে সুরাইয়া তার পরিবারে বিষয়টি গোপন করলে ছেলেটি কৌশলে মেয়েটির গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য ট্যাবলেট খাওয়ালে মেয়েটির রক্তক্ষরন হলে ছেলেটি তার বাড়িতে রেখে মেয়েটির গর্ভপাত ঘটায়। পরে এজাহারের ৪ ও ৫ নং আসামী আমেনা বেওয়া ও মরিয়ম বেগম আতিয়ার এর সাথে বিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতির নাম করে বাচ্চা প্রসবের বিষয়টি পরিবারে না জানাতে মেয়েকে নিষেধ করে। এরপর পুনরায় অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান মেয়েটিকে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুরাইয়াকে নিয়ে বিভিন্নস্থানে ঘুরে বেড়ানোর পর গত ৩০ মে ২০২০ ইং তারিখে মেয়ের মা আত্বীয়ের বাড়িতে থাকার সুযোগে ঐদিন রাত ১১টা ৩০ মিনিট ও ১লা জুলাই ২০২০ইং তারিখ রাত ১২টা ৩০ মিনিট হতে রাত্রি ৩ টা পর্যন্ত একাধিকবার শারিরীক সম্পর্ক করে ভোরে চলে যায়। পরে উক্ত সুরাইয়া আতিয়ার রহমান এর অন্য যায়গায় বিয়ের কথাবার্তা শুনে অভিযুক্ত ছেলের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে আতিয়ার কল রিসিভ করেনি। অন্যদিকে ২৩ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ দুপুর ২টায় মেয়েটি ছেলেটির বাড়িতে গেলে ২ ও ৫ নং আসামী বদিয়াজ্জামান ও মরিয়ম বেগম মেয়েটিকে বলে তার ছেলের সাথে বিয়ে হবে না এবং সম্পর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলে সুরাইয়া কৌশলে বাচ্চা নষ্ট করার বিষয়টি সেখানে জানালে ২ ও ৫ নং আসামী বদিয়াজ্জামান ও মরিয়ম বেগম তাকে মেরে বাসা থেকে বের করে দিয়ে গেটে তালা লাগিয়ে দেয় ও বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদর্শন করে। পরে উপস্থিত ব্যক্তিরা মেয়েটিকে আতিয়ার রহমান এর বাসায় নিয়ে গিয়ে ঘটনার কথা জিজ্ঞেস করলে মেয়েটি তা স্বীকার করে। আতিয়ার রহমান ও তার লোকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুরাইয়ার বাবা মো: শাহিদ মিয়া বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৩৪ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget