এই মাত্র পাওয়া:

» কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক ও চিকিৎসায় হেমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান

প্রকাশিত: ১৯. আগস্ট. ২০২০ | বুধবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

 

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে কাঁপছে সারা পৃথিবী । প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য রাত-দিন খেটে যাচ্ছেন বাঘা বাঘা চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা । প্রথম দেশ হিসেবে করোনার ভ্যাকসিনের নিবন্ধন করালো রাশিয়া ৷ তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের আগেই নিবন্ধন করানোয় রাশিয়া এবং বাইরের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ভ্যাকসিনটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ৷ পুতিন অবশ্যই দাবি করেছেন , পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে ৷ তবে এখনই ব্যাপক পরিসরে ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে না রাশিয়া৷ তা শুরু হবে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৷ তবু , কতটুকু জানি আমরা করোনা বা কোভিড-১৯ সম্পর্কে? সেই আলাপ হাজির করা হলো বিবিসির সূত্র ধরে ৷

করোনা ঘিরে এটি সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি । শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার তথ্য যাই হোক কিš‘ এটি শুধুই আংশিক তথ্য । কেননা , অনেক দেশে অনেকেই রয়ে গেছেন টেস্টের বাইরে। আবার এমন অনেকেই আছেন , যারা আক্রান্ত হলেও ভাইরাসটির কোনো লক্ষণ তাদের মধ্যে দেখা না যাওয়ায় বা তারা অসুস্থতা অনুভব না করায় করাননি টেস্ট । অ্যান্টিবডি টেস্ট করার পরই শুধু গবেষকদের পক্ষে বোঝা সহজ হবে , কে কে এই ভাইরাসে আক্রান্ত । শুধু তখনই জানা যাবে , করোনা ভাইরাস ঠিক কতটুকু বা কত সহজে ছড়াচ্ছে । প্রথম আলো পত্রিকা সূত্রে জানতে পারি দেশে উন্নতমানের মানসম্মত অ্যান্টিবডি টেস্টের কিট রয়েছে।

অ্যান্টিবডি অর্থ –
রক্তের মধ্যে থাকা প্রোটিন জাতীয় প্রতিষেধক পদার্থ যা রক্তের ক্ষতিকারক পদার্থ নস্ট করে থাকে ।

আক্রান্তের সংখ্যা সঠিকভাবে জানার আগে যথাযথ মৃত্যুহার চিহ্নিত করা সম্ভব নয় । এই মুহূর্তের ধারণা যাই হোক , তবে উপসর্গবিহীন আক্রান্তের সংখ্যা যদি বেশি হয় , সেক্ষেত্রে মৃত্যুহার আরও কম হবে।

অবসাদ , জ্বর , নাক বন্ধ হওয়া আর শুষ্ক কাশি করোনা ভাইরাসের প্রধান উপসর্গ । এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে গলা ব্যথা , মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়ার কথাও জানা গেছে । তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, কোনো কোনো রোগীর একই সঙ্গে সর্দি ও হাঁচির মতো হালকা উপসর্গও পাওয়া গেছে । গবেষকদের আশঙ্কা , অনেক রোগী হয়তো জানেই না তিনি ভাইরাসটি বহন করছেন ।

করোনা ভাইরাসে শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে । যদিও তাদের মধ্যে হালকা উপসর্গই বেশি দেখা যায় এবং অন্য বয়সীদের তুলনায় করোনায় শিশু মৃত্যুর হার তুলনামূলক যথেষ্ট কম । তবে শিশুরা সাধারণত রোগ জীবাণু বেশি ছড়ায় । কেননা , তারা খেলাধুলা করে , নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশে । তবে তারা ঠিক কী মাত্রায় করোনা ছড়ায় , গবেষকরা সেটি নিশ্চিত নন । উৎসের খোঁজ গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি । ধারণা করা হয় , স্থানীয় এক অ্যানিমেল মার্কেট থেকেই ছড়িয়েছে এটি । আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড-১৯ নামে ডাকা করোনা ভাইরাসটি বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ানো ভাইরাসের অনেকটাই কাছাকাছি ধরনের। ধারণা করা হয় , ভাইরাসটি বাদুড়ের কাছ থেকে কোনো এক ‘রহস্যময়’ প্রজাতির পশুর শরীর হয়ে মানুষের শরীরে পৌঁছেছে । তবে কী সেই ‘লিংক’ বা সংযোগ , সেটি এখনো উদ্ধার করতে পারেননি গবেষকরা ।

সর্দিজ্বর ও ফ্লু সাধারণত গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতের দিনগুলোতেই বেশি ঝেঁকে বসে । তবে সেগুলোর মতো করোনার প্রকোপও গরমকালে কমবে কি না , সে ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত নন । যুক্তরাজ্য সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা সতর্ক করে দিয়েছেন , মৌসুমের কারণে করোনার প্রভাবের হেরফের ঘটবে কি না- তা বলা সম্ভব নয় । যদি ঘটেও , তবে সেটি সর্দিজ্বর ও ফ্লুর তুলনায় খুবই কম ঘটবে বলে আশঙ্কা তাদের । গ্রীষ্মে যদি কোনো বড় ধরনের ডুব দেয়ও , শীতে ভাইরাসটির আরও বিপজ্জনকভাবে ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে । কেননা , সে সময়ে শীতকালীন অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত রোগীতে এমনিতেই হাসপাতাল ভরা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক ও চিকিৎসায় হেমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ।
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আল-আমিনের জন্য । নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড়-১৯) এর প্রতিষেধক ও চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি , সাংবাদিকবৃন্দ , মঞ্চে উপবিষ্ট সুযোগ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকসহ সবাইকে জানাই সু স্বাগতম এবং আসসালামুওয়ালাইকুম । মহামারীর এই সংকট সময়ে আমাদের আমন্ত্রনে মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণের জন্য আপনারা সাড়া দিয়েছেন বলে আমরা আপনাদের নিকট চির কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজকের সংবাদ সম্মেলনের সার সংক্ষেপ উপস্থাপন করতে যাচ্ছি । এর পরপরই আপনারা আপনাদের মূল্যবান প্রশ্ন করার সময় পাবেন ।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে কাঁপছে সারা পৃথিবী । প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য রাত-দিন খেটে যাচ্ছেন বাঘা বাঘা চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা । প্রথম দেশ হিসেবে করোনার ভ্যাকসিনের নিবন্ধন করালো রাশিয়া ৷ তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের আগেই নিবন্ধন করানোয় রাশিয়া এবং বাইরের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী ভ্যাকসিনটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ৷ পুতিন অবশ্যই দাবি করেছেন , পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে ৷ তবে এখনই ব্যাপক পরিসরে ভ্যাকসিন উৎপাদন করবে না রাশিয়া৷ তা শুরু হবে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৷ তবু , কতটুকু জানি আমরা করোনা বা কোভিড-১৯ সম্পর্কে? সেই আলাপ হাজির করা হলো বিবিসির সূত্র ধরে ৷

করোনা ঘিরে এটি সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি । শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার তথ্য যাই হোক কিš‘ এটি শুধুই আংশিক তথ্য । কেননা , অনেক দেশে অনেকেই রয়ে গেছেন টেস্টের বাইরে। আবার এমন অনেকেই আছেন , যারা আক্রান্ত হলেও ভাইরাসটির কোনো লক্ষণ তাদের মধ্যে দেখা না যাওয়ায় বা তারা অসুস্থতা অনুভব না করায় করাননি টেস্ট । অ্যান্টিবডি টেস্ট করার পরই শুধু গবেষকদের পক্ষে বোঝা সহজ হবে , কে কে এই ভাইরাসে আক্রান্ত । শুধু তখনই জানা যাবে , করোনা ভাইরাস ঠিক কতটুকু বা কত সহজে ছড়াচ্ছে । প্রথম আলো পত্রিকা সূত্রে জানতে পারি দেশে উন্নতমানের মানসম্মত অ্যান্টিবডি টেস্টের কিট রয়েছে।

অ্যান্টিবডি অর্থ –
রক্তের মধ্যে থাকা প্রোটিন জাতীয় প্রতিষেধক পদার্থ যা রক্তের ক্ষতিকারক পদার্থ নস্ট করে থাকে ।

আক্রান্তের সংখ্যা সঠিকভাবে জানার আগে যথাযথ মৃত্যুহার চিহ্নিত করা সম্ভব নয় । এই মুহূর্তের ধারণা যাই হোক , তবে উপসর্গবিহীন আক্রান্তের সংখ্যা যদি বেশি হয় , সেক্ষেত্রে মৃত্যুহার আরও কম হবে।

অবসাদ , জ্বর , নাক বন্ধ হওয়া আর শুষ্ক কাশি করোনা ভাইরাসের প্রধান উপসর্গ । এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে গলা ব্যথা , মাথা ব্যথা ও ডায়রিয়ার কথাও জানা গেছে । তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, কোনো কোনো রোগীর একই সঙ্গে সর্দি ও হাঁচির মতো হালকা উপসর্গও পাওয়া গেছে । গবেষকদের আশঙ্কা , অনেক রোগী হয়তো জানেই না তিনি ভাইরাসটি বহন করছেন ।

করোনা ভাইরাসে শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে । যদিও তাদের মধ্যে হালকা উপসর্গই বেশি দেখা যায় এবং অন্য বয়সীদের তুলনায় করোনায় শিশু মৃত্যুর হার তুলনামূলক যথেষ্ট কম । তবে শিশুরা সাধারণত রোগ জীবাণু বেশি ছড়ায় । কেননা , তারা খেলাধুলা করে , নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশে । তবে তারা ঠিক কী মাত্রায় করোনা ছড়ায় , গবেষকরা সেটি নিশ্চিত নন । উৎসের খোঁজ গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি । ধারণা করা হয় , স্থানীয় এক অ্যানিমেল মার্কেট থেকেই ছড়িয়েছে এটি । আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড-১৯ নামে ডাকা করোনা ভাইরাসটি বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ানো ভাইরাসের অনেকটাই কাছাকাছি ধরনের। ধারণা করা হয় , ভাইরাসটি বাদুড়ের কাছ থেকে কোনো এক ‘রহস্যময়’ প্রজাতির পশুর শরীর হয়ে মানুষের শরীরে পৌঁছেছে । তবে কী সেই ‘লিংক’ বা সংযোগ , সেটি এখনো উদ্ধার করতে পারেননি গবেষকরা ।

সর্দিজ্বর ও ফ্লু সাধারণত গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতের দিনগুলোতেই বেশি ঝেঁকে বসে । তবে সেগুলোর মতো করোনার প্রকোপও গরমকালে কমবে কি না , সে ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত নন । যুক্তরাজ্য সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা সতর্ক করে দিয়েছেন , মৌসুমের কারণে করোনার প্রভাবের হেরফের ঘটবে কি না- তা বলা সম্ভব নয় । যদি ঘটেও , তবে সেটি সর্দিজ্বর ও ফ্লুর তুলনায় খুবই কম ঘটবে বলে আশঙ্কা তাদের । গ্রীষ্মে যদি কোনো বড় ধরনের ডুব দেয়ও , শীতে ভাইরাসটির আরও বিপজ্জনকভাবে ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে । কেননা , সে সময়ে শীতকালীন অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত রোগীতে এমনিতেই হাসপাতাল ভরা থাকে । কেউ কেউ মারাত্মক উপসর্গের শিকার যে কারণে… করোনায় আক্রান্ত বেশিরভাগের মধ্যেই হালকা উপসর্গের দেখা মেলে । তবে প্রায় ২০ শতাংশের মধ্যে দেখা যায় মারাত্মক উপসর্গ । এর কারণ কী? এ ক্ষেত্রে আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেই একটি বড় কারণ বলে মনে করা হয় । এরসঙ্গে কিছু জেনেটিক কারণও রয়েছে বলে ধারণা করা হয় ।

কোনো ভাইরাসের বিরুদ্ধে একজন মানুষের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক কতক্ষণ লড়তে পারে , সেটি নিশ্চিত হওয়া এখনো সম্ভব হয়নি । তবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করা জরুরি । করোনা যেহেতু একেবারেই নতুন ভাইরাস , তাই এ নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত এখনো জড়ো করা যায়নি । ভাইরাসের কি বদল ঘটবে? ভাইরাস সবসময়ই পরিবর্তনশীল । তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাতে এগুলোর জেনেটিক কোডে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসে না । দিনে দিনে ভাইরাসের প্রাণঘাতী হওয়ার ক্ষমতা আরও কমে আসবে- সাধারণত এমন প্রত্যাশা করা হলেও এর কোনো নিশ্চয়তা নেই । তবে সমস্যা হলো , কোনো ভাইরাসের যদি বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে , যে ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সেটিকে শনাক্ত করতে পারে না এবং সেটির জন্য উদ্ভাবিত সবিশেষ ভ্যাকসিনেও কাজ হয় না ।

আজ থেকে ২১০ বছর পূর্বে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বিজ্ঞানী ডাঃ ক্রিশ্চিয়ান ফেডারিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আবিষ্কার করেন , হ্যানিম্যন একজন নামকরা এলোপ্যাথিক চিকিৎসক ও ছিলেন । তিনি লক্ষ্য করেন , তৎকালীন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি আন্দাজ অনুমান , ব্যক্তিগত মতামত ও কিছু ব্যক্তিগত ধ্যানধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত , তাই ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং চিকিৎসা হওয়ার পর ও রোগের পূণরাক্রমনের বিষয়সমুহ তিনি চিকিৎসা জীবনে বারবার উপলব্ধি করে ক্রম্বান্বয়ে এ্যালোপ্যাথির উপর আ¯’া হারিয়ে ফেলেন , এভাবে একদিন ( ১৭৯০) সালে ডক্টর উইলিয়াম কালেন -এর ” এ ট্রিয়েটিস অন মেটেরিয়া মেডিকা ” এর ” টনিক এ্যাপেক্টস্ অন স্টোমার্ক ” মন্তব্যের মধ্যে হ্যানিম্যান বিজ্ঞানী নিউটনের আপেলের পতনের মতো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সূত্র খূঁজে পান । হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রচন্ড বাঁধার সম্মুখীন হন , তাই তিনি বিভিন্ন স্হান ত্যাগ করতে ব্যাধ হন। কিন্তু শত বাঁধা সত্বেও তিনি নিজ পথে অবিচল ছিলেন , হ্যানিম্যান ছিলেন নীতিতে অটল , তিনি সকল চিকিৎসককে আদর্শ নিয়মনীতি ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক ও নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির অনুসারী হতে আহ্বান জানান তাঁর সেই আহ্বানের ভিত্তিতে বর্তমানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা জণগণের স্বাধ্যের মধ্যে স্বল্প ব্যয়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় চিকিৎসা হিসেবে প্রচলিত রয়েছে বিশ্বব্যাপি সমগ্র মানব জাতীর কল্যাণে। এই মহামারি সময়ে কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক ও চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মূলনীতি হচ্ছে –
ঝরসরষরধ ঝরসরষরনঁং ঈঁৎবহঃঁৎ
সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার –
অর্থ হলো – সদৃশ দ্বারা সদৃশ আরোগ্য হোক।
( ঞৎবধঃ ঃযব ঢ়ধঃরবহঃ , হড়ঃ ঃযব উরংবধংব , হড়ঃ ঢ়ধৎঃষু ড়ৎ ড়ৎমধহ রিংব)

রোগ নয় , রোগীকে চিকিৎসা কর ;
রোগীকে আংশিক বা আঙ্গিকভাবে নয় , সামগ্রিক ভাবে চিকিৎসা কর।

জীবনীশক্তিঃ জীবের ক্রিয়া ক্ষমতাকেই এক কথায় বলা হয় জীবনীশক্তি । জীবদেহের ভেতরে অবস্থিত যে সুক্ষ্ণ গতিশীল শক্তি শরীর ও মনের স্বাভাবিক অনুভূতি , কাজকর্ম ও গঠনকাঠামো রক্ষা , পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করছে , উহাকে জীবনীশক্তি বলে । শরীর মনের এ স্বাভাবিক অবস্থাকে স্বাস্থ্য বলা হয় । কিন্ত জীবনবিরোধী কোন উপাদান অর্থাৎ রোগশক্তি যখন জীবনীশক্তিকে আক্রমন করে , তা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলে জীবনীশক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে । তখন এর স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটে । অসুস্থ্য জীবনীশক্তি এ অবস্থায় শরীর ও মনে কতগুলো অস্বাভাবিক অনুভুতি , কাজকর্ম ও গঠনকাঠামোর বিকৃতি বা লক্ষণ প্রকাশ করে । অসু¯’্য জীবনীশক্তির এ অবস্থাকে শারীরিক ও মানসিক এ লক্ষন সমষ্টি দ্বারা উপলব্ধি করা যায় । আরোগ্য সাধ্য সকল রোগেই এ ধরনের বিকৃত শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ সমষ্টি থাকে । তবে যেখানে জীবনীশক্তি এতই দূর্বল হয়ে পড়ে যে এর আর লক্ষন প্রকাশ করার মত ক্ষমতা থাকে না , সেখানে আরোগ্যও হয়ে পড়ে তেমনি অসাধ্য ।

রোগশক্তির দ্বারা জীবনীশক্তি অসুস্থ হবার পূর্বে শরীরে ও মনে কোন বিকৃত লক্ষণ সমষ্টি থাকে না। তাই , এইসব বিকৃত লক্ষণ সমষ্টি জীবনীশক্তির অসুস্থতার পরিচয় । অপর পক্ষে , এ লক্ষণ সমষ্টি রোগশক্তির প্রভাবের ফলেই সৃস্টি হয় । সুতরাং , বিভিন্ন ধরনের রোগশক্তিকে এর দ্বারা সৃস্ট বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ সমষ্টির দ্বারাই কেবল চিনতে পারা যায় । এগুলোই রোগীর ঔষুধ নির্বাচনের একমাত্র পথ প্রদর্শক ।

হ্যানিম্যানের মতে ‘ মহামারি ’ অচির প্রকৃতির রোগ ।

রোগ প্রতিষেধক ওষুধ সম্মন্ধে ও জানা আবশ্যক । রোগ প্রতিষেধক ওষুধ প্রয়োগের অর্থ রোগাক্রান্ত হবার প্রবনতা দূর করা বোঝায় । অতএব , ধাতুগত দোষের চিকিৎসাই রোগীর কোন রোগ প্রতিরোধে প্রতিষেধকই প্রকৃত পথ । তবে কোন সংক্রামক রোগীর প্রতিষেধক ওষুধ নির্ধারণ করার জন্য সে বছরের ঐ সংক্রামক রোগরে রোগচিত্রটা বা লক্ষণগুলো যে ওষুধের মত , তা ব্যবহার করা উচিৎ ।

হোমিওপ্যথিক ঔষুধের গ্রুপ ৬টি
১। অ্যান্টিসোরিক ঔষুধাবলী
২। অ্যান্টিসাইকোটিক ঔষুধাবলী
৩। অ্যান্টিসিফিলিটিক ঔষুধাবলী
৪। অ্যান্টিকুইনাইন ঔষুধাবলী
৫। অ্যান্টিভ্যাকসিন ঔষুধাবলী
৬। অ্যান্টিমারকারি ঔষুধাবলী

আমার তত্ত্বাবধানে মোট ৯৬০ জন ও ১১০ থেকে ১১৫ টি পরিবারের মধ্যে কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক বিনামূল্যে বিতরণ করি । আমার কাছে মার্চ ২০২০ সালের ৩য় সপ্তাহ থেকে কোভিড-১৯ এর উপসর্গ নিয়ে রোগী আসা শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ জন রোগী আসে । আমি তাদের চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ দেই । তারা সম্পূর্ণ সু¯’্য হয়ে উঠে এবং পরর্তীতে তারা আর কেউ কোভিড-১৯ এর উপসর্গ নিয়ে আমার কাছে আসেনি । আমি যে সকল লোকদেরকে প্রতিষেধক দিয়েছি তাদের মধ্যে কয়েকজন আজকে এখানে উপস্থিত আছেন ।
“ভয় নয় করোনা করবো জয়”

 

অধ্যক্ষ ডাঃ রাগেব উদ্দীন (রাকিব)
বি.এইচ.এম.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এম.এস.এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৩ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget