এই মাত্র পাওয়া:

» করোনায় আক্রান্তের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না, আগে থেকেই প্রয়োজন সচেতনতা : মেয়র সাঈদ খোকন

প্রকাশিত: ০৬. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

 

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।।      বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সচেতনতামুলক প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশ যে আক্রান্ত হবে না সে সম্ভাবনা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। তাই আগে থেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রয়োজন সচেতনতা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনস্হ মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ” করোনা ভাইরাসে প্রতিকার ও করনীয়” শীর্ষক এক সায়েন্টিফিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় যা কিছু ব্যবহার করছি সব চায়নার। ৯০ শতাংশের বেশি চায়নার জিনিসপত্র ব্যবহার করি আমরা। এমনকি আমাদের সবচেয়ে বড় যে প্রজেক্ট পদ্মা সেতু, সেটিও কিন্তু চায়নারা তৈরি করছে। এজন্য চাইনিজদের সঙ্গে আমাদের সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ রয়েছে। সে তুলনায় ঢাকা কিংবা বাংলাদেশ এখনও আক্রান্ত হয়নি। তবে আক্রান্তের সম্ভাবনা কোনভাবেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন আমরা সেগুলো মেনে চলে এটিকে মোকাবেলা করতে হবে ।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনোভাবেই এটি বাংলাদেশে এসে যায়, তবে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। তাই আমরা চাই না এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এজন্য আগে থেকেই আমাদেরকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সচেতনমূলক প্রতিকার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি যাতে এসমস্ত বালা মুছিবত থেকে তিনি আমাদের রক্ষা করেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আতংকিত না হয়ে প্রতিরোধের বিষয়ে জোর দিতে হবে। কারণ প্রতিরোধই প্রতিকার। তাই আমরা যদি প্রতিরোধে মনোযোগ দিই তাহলে প্রতিকারের বাড়তি কোনো কিছুর প্রয়োজন হবে না। সুতরাং এ রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ অতিগুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে আমাদের সরকার সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বন্দরগুলোতে স্ক্যানার বসিয়ে যাতে করে এ রোগ বহনকারী কেউ দেশে প্রবেশ করতে না পারে। এখন শুধু প্রয়োজন আমাদের সচেতনতা।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ, অধ্যাপক ডাঃ আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ, অধ্যাপক ডাঃ আফজালুন নেসা, অধ্যাপক ডাঃ হারিসুল হক প্রমূখ বক্তৃতা করেন ।এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকগণ এবং বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিগনও উপস্থিত ছিলেন।