এই মাত্র পাওয়া:

» কক্সবাজারে করোনা আতঙ্কে থেমে নেই মানবপাচার

প্রকাশিত: ০৯. এপ্রিল. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

এ ম মইনুল আহসান, জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম ।।
প্রশাসনের সন্দেহের চোঁখের বাহিরে থাকায় মানবপাচারের শীর্ষ হোতা। মানবপাচারের ‘গডমাদার’।মানবপাচার করে সামান্য হতদরিদ্র পরিবার থেকে তিনি আজ কোটি কোটি টাকার বিত্ত-বৈভবের মালিক।
কক্সবাজার খুটাখালীর ৯নং ওয়ার্ডের এলাকার মালেশিয়া প্রবাসী মোঃ ইয়াছিনের স্ত্রী দুলো আরা বেগম তার ছেলে কলিম উল্লাহ,বহু অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে মানবপাচারের লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা।

মানবপাচার সম্রাজ্ঞী ও তার ছেলে কলিম উল্লাহ সাগর পথে পাচার করেছে হাজার হাজার মানুষ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোঁখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন হয়ে উঠেছে বেপরোয়া।তাকে পুলিশ রিমান্ডেও আনা হলে বের হয়ে আসতে পারে চঞ্চল্যকর তথ্য।
তার স্বামী ইয়াছিন পুলিশের খাতায় একজন শীর্ষ মানবপাচারকারী।তিনিও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে একাধিকবার জেল খাটেন।বতর্মানে তিনি মানবপাচারের বড় একজন এজেন্সি হিসেবে মালেশিয়া রয়েছেন।
স্থানীয় লোকজন জানান খুটা খালী এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী (দলো)হিসাবে সবাই এক নামে চেনে।সম্প্রতি সময়ের মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ পালিয়ে এসে পাড়ি জমিয়েছেন খুটা খালী ৯নং ওয়ার্ড এলাকায়।কৌশলে জনপ্রতিনিধিদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে রাতারাতি বলে যায় বাংলাদেশী নাগরিক।
৭এপ্রিল অবৈধভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রাকারী রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি ট্রলার কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিনের কাছে ডুবে যায় ঘটনায় সাথে সরাসরি জড়িত বলে গোপন তথ্য সূত্র জানা গেছে। জীবিত উদ্ধারদের মধ্যে চারজনকে দালাল সন্দেহ আটক করা হলেও অড়ালে রয়ে যায় মানবপাচারকারী শীর্ষ গডমাদার দলো আরা তার ছেলে কলিম উল্লাহ
এই দলো আরা বেগম ম্যাডাম দস্যুরাণী ফুলনদেবীর তুলনায় কোনো অংশে কম নয় বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের মতে,পুলিশ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকায় নাম না থাকায় এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের আশীর্বাদ থাকায় সে বারবার রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন।
দলো আরা বেগম ও তার ছেলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন সংগ্রহ করেন তারা হলেন।
টেকনাফ ৮নং ওয়ার্ডে কানু মিয়ার পুত্র বেলাল, উইছুফ,ও মির আহাম্মদ,মেম্বার মোজাম্মেলের পুত্র শাহাজাহান, মাছনের পুত্র রহমতুল্লাহ মাষ্টার,সলিমের পুত্র শামসুল আলম,কুতুপালং ক্যাম্পের ডি-হর ব্লকের নতুন মরখজ এর পাশের মিডা খলু,খুটাখালী ক্যাম্পর ১৯নং ব্লকের আব্দুল সালামের পুত্র আঞ্জুসহ রযেছেন আরো অনেক।
তার বাড়ি ও গহিন পাহাড়ে জঙ্গলে রেখে সুযোগ বুঝে মালয়েশিয়ায় পাচার করে দিতো ট্রলারে করে। তার স্বামী ইয়াছিন এর কাছে। এভাবে চলতে থাকে তার মানবপাচার বাণিজ্য।
এলাকায় কাউকে পরোয়া না করে প্রকাশ্যে এ জঘন্যতম কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল দলো ও তার ছেলে।তার হাতে পাচারের শিকার হয়ে অনেকে মারা গেছে। নিখোঁজ রয়েছে অনেক নিরীহ মানুষ।তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেন জানতে চোখ রাখুন পরবর্তী প্রতিবেদনে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৮৭ বার

[hupso]
Facebook Pagelike Widget