» এই কেমন মানুষের মনুষ্যত্ব এ কেমন মানবতা

প্রকাশিত: ১৭. এপ্রিল. ২০২০ | শুক্রবার

আজ একটি কথা ভেবে মনে খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম, এই কেমন মানুষের মনুষ্যত্ব এ কেমন মানবতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশের মানুষের জন্য নিজের জীবনের মায়া মমতা ত্যাগ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। শেষ পর্যন্ত দেশের জন্য সপরিবারে নিজের জীবন উৎসর্গ করলেন। সারা বিশ্ব আজ যেখানে করোনাভাইরাসের কারণে নিস্তব্ধ। সারা বিশ্বের রাষ্টপ্রধানরা সবাই যার যার দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য উদ্বিগ্ন তেমনি ভাবে বঙ্গকন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মহামারীর সময় সার্বক্ষণিক এই দেশ এবং দেশের মানুষের চিন্তায় মগ্ন, প্রতিদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এবং বার বার তার প্রাণের আকুতি ব্যক্ত করছেন, এদেশের একজন অসহায় মানুষও যাতে না খেয়ে থাকে প্রশাসন এবং নেতা কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন, হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছেন ত্রাণ দেওয়ার জন্য কিন্তু একশ্রেণীর বিবেকহীন অমানুষ নেতা কর্মীরা গরীর মানুষের ত্রাণ সামগ্রী লুটপাট করে খাচ্ছে। এই চোরদের কোন বিচার হচ্ছে না। সাংবাদিক এবং প্রশাসনের হাতে যখন এই ত্রাণ চোরেরা ধরা পরেছে তখন উপরের বড়কর্তারা বলছে এবারের মত মাপ করে দেন। আমি যে কথাগুলো লিখছি একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। আর ত্রাণ কর্তা মহোদয় বলছেন এদের বিচার হবে। প্রচলিত আইনে। আদো কি এই ত্রাণ চোরদের বিচার হবে? হায়রে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, নেতা কর্মীদের এত অধঃপতন ।যাক এদিকে আর যাবো না মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এত কিছু তদারকি করা সম্ভব না। তিনি বারবার কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেও চোরে শুনে কি ধর্মের কাহিনী।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস বর্তমানে যিনি পুলিশের মহাপরিচালকের দায়িত্বে আছেন। ইতোপূর্বে দেশের বেশ কয়েকটি ক্লান্তিলগ্নে তার ভূমিকা ছিলো দৃশ্যমান। তিনি যদি সমগ্র বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসন কে বলে দেন কোন বড় কর্তার কথায় ত্রাণ চোরদের ছাড় দেওয়া হবে না তাদের সবাইকে ধরে এনে বিচারের সামনে দাঁড় করাও। তাহলে ত্রাণ চোরদের চুরি হয়তো বা বন্ধ হবে না , অনেক অংশে কমে যাবে । হে মহান সৃষ্টিকর্তা এই গরীব অসহায় মানুষের ত্রাণ চোরদের তুমি হেদায়েত দান করুন। করোনাভাইরাসের মহামারী থেকে এই দেশ এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করুন।

লেখক: আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন।