এই মাত্র পাওয়া:

» উলশী ইউপি সদস্যের সমার্থকের উপর হামলা ও নির্বাচনি অফিস ভাংচুর

প্রকাশিত: ২৩. নভেম্বর. ২০২১ | মঙ্গলবার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
শার্শা উপজেলার ৯নং উলশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী কামাল হোসেন সহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
এবিষয়ে শার্শা থানায় আহত কবির হোসেন বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরদিনই কামালের নির্বাচনি অফিস ভাংচুর করা হয়।

২৩শে নভেম্বর মঙ্গলবার সরোজমিনে ৮নং ওয়ার্ড কাঠুরিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কামাল হোসেনের নির্বাচনি অফিস ভাংচুর সহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান গতকাল গভীররাতে কে বা কারা এই কাজ করেছে সেটা দেখা যায়নি তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অজিহারের সমার্থকদের উপর থানায় অভিযোগ করায় তারা এই কাজটি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এবিষয়ে রানিং মেম্বার ও পুনরায় মেম্বার পদপ্রার্থী কামাল হোসেন বলেন, ২২শে নভেম্বর রাত নয়টার সময় মেম্বার প্রার্থী অজিহারের উপস্থিততে তার সমার্থক হায়দার আলী গগন, মনিরুজ্জামান, ইয়াকুব আলী, জনি হোসেন, আলমগীর সহ ১৫/২০ জন আমার সমার্থকদের উপর দেশীয় অস্ত্র রামদা, লাঠি ও রড দিয়ে আক্রমণ করে এতে আমার ৫ জন সমার্থক গুরুত্বর আহত হয়। এবিসয়ে ঐদিন রাতেই আমার ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ করে। তার পরদিন আজ সকালে আমার নির্বাচনি অফিসে এসে দেখি আমার অফিসে ভাংচুর সহ আগুন দেওয়া হয়েছে। অফিসে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিলো যেটা দুস্কৃতিকারীরা ছিঁড়ে ফেলেছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ছবিটি অনেক পুরানো আমার বাবার স্মৃতি। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

হামলার প্রত্যক্ষদর্শী সফিউর রহমান বলেন, আমি হামলার সময় পিছনে ছিলাম। অবস্থা খারাপ দেখে আমি ওদের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ভিডিও করি। তিনি সাংবাদিকদের ভিডিওটি দেখান। অন্ধকার রাত হলেও ভিডিওতে হামলা সহ গালিগালাজ এর সত্যতা আংশিক প্রমাণিত হয়।

এবিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অজিহার বলেন, আমি ২১ বছর যাবৎ এই ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী লোকজন এগুলো করছে। হামলার ভিডিও সম্পর্কে জিঙ্গেস করলে বলেন, আমি এই অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানিনা।

এবিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম খান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমি জানি। আমাদের সাব- ইনেসপেক্টর মিজান বিষয়টি তদন্ত করছে। আমরা তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Facebook Pagelike Widget