» ইসলামী সমাজের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশিত: ২৪. এপ্রিল. ২০২০ | শুক্রবার

 

স্টাফ রিপোর্টার
করোনাভাইরাসের আক্রমণজনিত মহামারির কারণে কর্মহীন লোকদের মধ্যে যারা খুবই বিপর্যস্ত তাদেরসহ অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী লোকদের মাঝে নগদ টাকাসহ চাউল, ডাল, আলু ও পিয়াজ ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে বিতরণ করেছে ইসলামী সমাজ। তিনদিনব্যাপী সংগঠনের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীরের পরিচালনায় প্রতিদিন বাদ যোহর এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়। গতকাল শুক্রবার ত্রাণ বিতরণ শেষে ইসলামী সমাজের আমীর হযরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ প্রদত্ত কল্যাণকরও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ই একমাত্র আদর্শ। ন্যায় ও নীতিমূলতঃ ইসলামী আদর্শের মধ্যেই আছে। ইসলামের বিপরীত মানুষের রচিতসকল আইন-বিধানই দুর্নীতি- একথার উল্যেখ করে তিনি বলেন,বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রে মানুষের সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে চরম দুর্নীতি চলছে এবং মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি হয়ে বিশ্বের মানুষ মানবতা ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন রকম অশ্লীল কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার কারণেই করোনাভাইরাসের আক্রমণসহ আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের বিভিন্ন রকম আযাব-গজব (শাস্তি) বিশ্ববাসীকে গ্রাস করেছে।
করোনা ভাইরাসের আক্রমণকে বিশ্ববাসীর জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর মেনে না নিলে এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর আইন-বিধানের আনুগত্যের মাধ্যমে জীবন গঠন ও পরিচালনা না করলে আল্লাহর আযাব-গজব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, মানব রচিত ব্যবস্থার অধীনে জীবনযাপন করতে থাকলে আল্লাহর এ বিশেষ আযাব-গজব তাঁরই ইচ্ছায় চলে গেলেও
পুনরায় এর চেয়েও ভয়াবহ আযাব-গজব আসবেই। তিনি বিশ্বের সকল ক্ষমতাসীন নেতাদের সাবধান ও সতর্ক করে বলেন, আপনারা আল্লাহর আযাব-গজবের মোকাবিলা ও প্রতিরোধ করতে পারবেন না, তাই প্রতিরোধ ও মোকাবিলার চিন্তাধারা থেকে বের হয়ে আসুন এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট পরিপূর্ণ আত্মসমর্পন করে তাঁরই সার্বভৌমত্বের অধীনে ইসলামের আইন-বিধান মেনে চলুন এবং সাথে সাথে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করুন। নিঃস্বার্থভাবে সততার সাথে বিভিন্নএলাকায় ত্রাণ বিতরণকারী ইসলামী সমাজের নেতাকর্মীদেরকে মোবারকবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবসময় আমাদের সকলকে দরিদ্র জনগণকে সহযোগীতাসহ সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজব থেকে বাঁচার জন্য তাঁরই নিকট বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে প্রথম ধাপের ত্রাণ বিতরণের কর্মসূচী সমাপ্ত করা হয়।