» অযথা বাইরে বের না হওয়া ও সচেতন করতে পুলিশের পাশাপাশি সক্রিয় সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ০৩. এপ্রিল. ২০২০ | শুক্রবার

জাতির সংবাদ টোয়েন্টিফোর ডটকম।।    এবার আঁটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। অযথা বাইরে বের না হওয়া ও সচেতন করতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি সক্রিয় সেনাবাহিনী ।

করোনা ভাইরাস সচেতন এবং সুরক্ষায় সরকার ২৬ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি সাধারন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ গণপরিবহনও। তবুও নানা অজুহাতে বেরিয়ে পড়ছেন মানুষ। করোনা আতঙ্কের ছাপ নেই কারো চোখে-মুখে। নেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তাদের মধ্যে নেই সচেতনতা।

রাজধানীর বাড্ডা, শান্তিনগর, পল্টন, জুরাইন, যাত্রবাড়ী, রামপুরা, গুলশান, মিরপুর, সায়েদাবাদ এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার এমন চিত্র দেখা যায়।

সশস্ত্রবাহিনী পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে হ্যান্ড মাইকে বলছে, অযথা কেউ বাইরে বের হবেন না। কাজ না থাকলে বাসায় চলে যান। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।

হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করতে হবে। কোথাও রিকশা শ্রমিকদের থামিয়ে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিতে দেখা যায়। আবার কোথাও খাবার দিচ্ছেন।

রাস্তার মোড়ে মোড়ে জনসাধারণকে সোনাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। এতে চলাচল অনেকটা সীমিত হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না।

সেনাবাহিনীর একটাই কথা— সতর্ক ও সচেতন হন, সুস্থ থাকুন। অযথা ঘরের বাইরে বের হবেন না। এ ছাড়াও তারা সারা দেশে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত কয়েকদিনে যান চলাচল বেড়ে গেলেও গতকাল ব্যক্তিগত প্রাইভেট ও সিএনজি ছিলো অনেকটা কম। তবুও গাড়ি তল্লাশি। উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে ছাড়, না হলে হুঁশিয়ারি দিয়ে যানবাহন ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

এদিকে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে স্বাভাবিক নিয়মেই সারা দেশে সরব ছিলো পুলিশ ও র্যাব সদস্যরাও। তারা মোড়ে মোড়ে গাড়ি তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। কোনো কারণ দেখাতে না পারলে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, করোনার বিস্তাররোধে পুলিশের প্রত্যেক সদস্য যেভাবে দেশ ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাতে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি। পুলিশ সদস্যের প্রত্যেক সদস্যকে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

তবে, জনগণকে সেবা প্রদানের পাশাপাশি নিজের, অধীনস্ত সদস্য, সহকর্মী এবং পরিবারের সর্বোচ্চ সুরক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে প্রত্যেককে।

পাশাপাশি, সাধারণ মানুষকে বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে, যেনো কোনোভাবেই জনসমাগমের সুযোগ সৃষ্টি না হয়।